বিশ্ব শিক্ষক দিবস: মনপুরার বসির আহাম্মেদ যেভাবে হলেন পুরো উপজেলার ‘বসির মাস্টার’
আটকে গেলো চরফ্যাশন প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমানের বদলির আদেশ; নথি তলব

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূত বদলির আদেশ দেওয়ার অভিযোগের মধ্যে সংশ্লিষ্ট নথি তলব করেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।
শনিবার (৩ অক্টোবর) ভোলা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বদলি সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ও নথি জরুরি ভিত্তিতে চাওয়া হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আমিনুল ইসলামের স্বাক্ষরিত চিঠিতে আগামী ৫ অক্টোবর বিকেল ৫টার মধ্যে এসব তথ্য বিশেষ বাহকের মাধ্যমে জেলা অফিসে পাঠাতে বলা হয়েছে। চিঠিতে উপজেলায় প্রতিস্থাপন সাপেক্ষে বদলির আদেশ পাওয়া শিক্ষকের সংখ্যা ও সংশ্লিষ্ট আদেশ, বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদানকারী এবং এখনো যোগদান করতে না পারা শিক্ষকদের পৃথক তালিকা চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অন্তঃউপজেলা বদলি সংক্রান্ত কমিটির কার্যবিবরণী, বদলির আদেশ এবং উপজেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শূন্য পদের তালিকাও চাওয়া হয়েছে। শূন্য পদের তালিকা সঠিক রয়েছে মর্মে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার প্রত্যয়নসহ হার্ডকপি ও সফটকপি পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫’-এর নবযোগদানকৃত শিক্ষকদের পদায়নের জন্য জেলা পর্যায়ের কমিটির ৩ অক্টোবরের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসব তথ্য চাওয়া হয়েছে। চিঠির অনুলিপি ভোলা জেলা প্রশাসক ও বরিশাল বিভাগীয় উপপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষাসহ সংশ্লিষ্টদের দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ রয়েছে চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান রাতের আধাঁরে নিয়ম নীতি ও প্রজ্ঞাপনের শর্ত ও আদেশ না মেনে অনিয়ম ও দূর্নীতি করে বদলীর আদেশ সৃষ্টি করে ভোলা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে জমা দেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে কোনো নির্দিষ্ট বদলির আদেশকে ‘অবৈধ’ বা ‘নিয়মবহির্ভূত’ হিসেবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়নি।
ফলে অভিযোগটির সত্যতা এবং বদলি আদেশের বৈধতা যাচাইয়ে তলব করা নথিই গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিজ্ঞরা মনে করছেন।
