তজুমদ্দিনে অব্যাহত গরু ও ঘরবাড়ি চুরি: গ্রাম পুলিশের নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী
তজুমদ্দিনে অব্যাহত গরু ও ঘরবাড়ি চুরি: গ্রাম পুলিশের নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও চরাঞ্চলে দিন দিন আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে গরু ও ঘরবাড়ি চুরির ঘটনা। একের পর এক চুরির ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা। অথচ প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রাম পুলিশ থাকা সত্ত্বেও তাদের পাহারাদারি ও টহল কার্যক্রমে কোনো তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, দায়িত্বপ্রাপ্ত গ্রাম পুলিশেরা সরকারি দায়িত্ব পালনের চেয়ে নিজেদের ব্যক্তিগত কাজ নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকেন। সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিয়মিত পাহারা বা টহলে না থেকে অনেকেই ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষিকাজসহ নিজ নিজ পেশায় সময় কাটাচ্ছেন। ফলে অপরাধীরা সুযোগ বুঝে একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে।
সর্বশেষ গতকাল ( ৮ অক্টোবর ) বৃহস্পতিবার অনুমানিক রাত ২ টা থেকে ৩ টা দিকে চাঁচড়া ইউনিয়নে কৃষক মোহাম্মদ নুরুদ্দিনের একমাত্র সম্বল একটি গরু চুরি হয়ে যায়। নিজের জমানো উপার্জনের টাকা দিয়ে
গরুটি কিনেছিলেন তিনি। সহায়-সম্বল হারিয়ে এখন তিনি দিশেহারা। এর কিছুদিন আগে একই ইউনিয়নের কৃষক মো. নাসির উদ্দিনের একটি গরু চুরি হয়, যা পরবর্তীতে এক চোরের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
এলাকাবাসীর দাবি, গ্রাম পুলিশের এহেন নীরব ও নিষ্ক্রিয় ভূমিকার কারণেই চোরচক্র দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে। চোরের উপদ্রব থেকে মুক্তি পেতে এবং এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের জরুরি ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ও কৃষকসমাজ।
