সর্বশেষঃ

বেবি তরমুজ চাষে সাফল্য, মিজানের ২৪ শতাংশ জমিতে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা লাভের আশা

মোঃ আমজাদ হোসেন, চরফ্যাশন :

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার রসুলপুর ইউনিয়নে বেবি তরমুজ চাষ করে সাফল্যের মুখ দেখেছেন কৃষক মিজান। গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার (জিজেইউএস) সহযোগিতায় পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করা এ চাষে গত বছর সাফল্য পাওয়ার পর চলতি মৌসুমে ২৪ শতাংশ জমিতে বেবি তরমুজ চাষ করেছেন তিনি।

সরেজমিনে দেখা যায়, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) অর্থায়নে গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার পেইস প্রকল্পের আওতায় রসুলপুর ইউনিয়নের স্থানীয় কৃষকদের নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে বেবি তরমুজ চাষ শুরু করা হয়। ওই উদ্যোগ দেখে উৎসাহিত হয়ে কৃষক মিজান গত বছর ১০ শতাংশ জমিতে বেবি তরমুজ চাষ করেন। ভালো ফলন ও বাজারমূল্য পাওয়ায় এবার তিনি চাষের পরিধি বাড়িয়ে ২৪ শতাংশ জমিতে আবাদ করেছেন।

কৃষক মিজান জানান, ২৪ শতাংশ জমিতে বেবি তরমুজ চাষে তাঁর প্রায় ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমানে যে ফলন হয়েছে, তাতে তিনি প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রির আশা করছেন। সে হিসাবে প্রায় ৭০ দিনের এ চাষে খরচ বাদ দিয়ে তাঁর প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা লাভ হতে পারে।

তিনি বলেন, গত বছর বেবি তরমুজ চাষ করে ভালো ফলন ও লাভ পাওয়ায় এবার জমির পরিমাণ বাড়িয়েছেন। আগামী বছর আরও বেশি জমিতে বেবি তরমুজ চাষ করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।

চরফ্যাশন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. নাজমুল হুদা বলেন, চলতি বছর চরফ্যাশনের অনেক কৃষক অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে বেবি তরমুজ চাষে লাভবান হয়েছেন। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে এসব কৃষকের নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতেও বেবি তরমুজ চাষিদের প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

কৃষক ও সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বল্প জমিতে তুলনামূলক কম বিনিয়োগে বেবি তরমুজ চাষে ভালো ফলন ও বাজারমূল্য পাওয়া গেলে চরফ্যাশনের কৃষকদের জন্য এটি বিকল্প আয়ের একটি সম্ভাবনাময় কৃষি উদ্যোগ হয়ে উঠতে পারে।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।