ভোলার গরীবের ডুবাই বালু মাঠে ঘুরতে গিয়ে নদীর পাড় ধ/সে ২ বন্ধু নিখোঁজ।
ভোলার ভেদুরিয়ায় লাঠিয়াল বাহিনীর হামলা ॥ টাকা ও মাছ লুট ॥ আহত-৩

ভোলা সদর উপজেলার ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের একটি প্রজেক্টের বাধ কেটে দেয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ৩ গুরুতর আহত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটে। আহতদেরকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা গেছে, ভোলা সদর উপজেলার ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়র্ডের একটি প্রজেক্টের ওপেন টেন্ডার হয় ৭/১২/২০২০ইং। সেই তারিখে ১৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকায় মোহাম্মদ নাজিম এ প্রজেক্ট এর টেন্ডার পায়। টেন্ডার পাওয়ার পরে তারা ১৩/১২/২০২০ ইং তারিখে সমস্ত টাকা পরিশোধ করে মাছ ধরা শুরু করে এবং পর্যায়ক্রমে তারা মাছ ধরতে থাকে। ঘটনার দিন ০৭/০১/২০২১ ইং তারিখ মাছ ধরা অবস্থায় প্রজেক্টের পার্টনার ও ক্যাশিয়ার মোহাম্মদ নুরুদ্দিন (২৫) হঠাৎ দূর থেকে দেখতে পায় দু’জন লোক তাদের প্রজেক্টের বাঁধ কেটে পানি ছাড়তেছে।
ভুক্তভোগী মোহাম্মদ নুরুদ্দিন বলেন, তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যান। সেখানে যাওয়ার পর দেখেন স্থানীয় মোহাম্মদ ছিডু মাঝি (৬০) ও মোহাম্মদ কালাম মাঝি তাদের প্রজেক্টের বাঁধ কাটছেন। তাকে দেখে তারা খন্তা ও কোদাল নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তখন নুরুদ্দিন, নাজিম ও হরুন মিলে তাদেরকে হাতেনাতে ধরেন। এরপর ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুলহাই মাস্টারকে বিষয়টি অবহিত করেন। তখন তিনি বলেন ওদেরকে ধরে রাখো আমরা আসতেছি।
এরপরে মোহাম্মদ ছিডু মাঝি (৬০) ও মোহাম্মদ কালাম মাঝি’র সাথে নরুদ্দিনদের তর্ক-বিতর্ক হয়। এ সময় স্থানীয়দের ডাক দিলে তৎক্ষণাৎ সিরাজ গোলদারের নেতৃত্বে তার লাঠিয়াল বাহিনী এসে নুরুদ্দিনের উপর এলোপাতারি মারধরর করে। এ সময় সাথে থাকা মাছ বিক্রয় করার ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা এবং একটি এন্ড্রয়েড ফোন নিয়ে যায়।
অপর ভুক্তভোগী মোহাম্মদ হরুন বলেন, তাৎক্ষণিক আমি ও নাজিম, ছিডু ও কালাম মাঝিকে ছেড়ে দিয়ে মোহাম্মদ নুরুদ্দিনকে ছাড়াতে গেলে আমাদেরকে এলোপাতারি মারধর করে প্রজেক্ট থেকে ধরা সব মাছ লুট করে নিয়ে যায় সিরাজ গোলদার ও তার লাঠিয়াল বাহিনী। এতে আমাদের প্রজেক্ট এর প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়।
এরপর আমাদের ডাক চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এসে আমাদেরকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। হারুন ও নাজিম প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। নুরুদ্দিনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সে বর্তমানে ভোলা সদর হাসপাতালের ৬ নাম্বার কেবিনে চিকিৎসাধীন আছেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সিরাজ গোলদারের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি বিধায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
