সর্বশেষঃ

কাঁঠালের ঔষধি গুণাগুণ

মোঃ মহিউদ্দিন
প্রভাষক
ভোলা ইসলামিয়া ইউনানী মেডিকেল কলেজ।

 

কাঁঠাল বাংলাদেশের জাতীয় ফল,
নিয়মিত খেলে দেহের পুষ্টির অভাব দূর হয়
বাড়ে শক্তি- বল।
কাঁঠালে চর্বির পরিমাণ কম থাকায়
শরীরের ওজন কমে,
প্রচুর পটাশিয়াম থাকায় উচ্চ রক্তচাপ দমে।
কাঁঠালে বিদ্যমান ফাইটো-নিউট্রিয়েন্টস
আরোগ্য করে আলসার,
উচ্চরক্তচাপ বার্ধক্য প্রতিরোধ করে
প্রতিরোধ করে ক্যান্সার।
কাঁঠালে আছে বিপুল পরিমাণে খনিজ উপাদান,
ম্যাঙ্গানিজ যা রক্তে নিয়ন্ত্রণ করে
শর্করা বা চিনির পরিমাণ।
ছয় মাস পর থেকে শিশুদের
কাঁঠালের রস খাওয়ানো যায়,
এতে প্রায় ভিটামিনের অভাব পূর্ণ হয়।
গর্ভবতী মাকে পাকা কাঁঠাল খাওয়ালে
মা ও গর্ভস্থ শিশুর সকল পুষ্টি পায়,
গর্ভস্থ সন্তানের বৃদ্ধি স্বাভাবিক হয়।
দুগ্ধদানকারী মা পাকা কাঁঠাল খেলে
দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়,
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয় এই ফল আঁশালো বিদায়।
কাঁঠালে প্রচুর ক্যালসিয়াম বিদ্যমান,
তা কেবল হাড়ের জন্য নয়
রক্ত সংকোচন করে সমাধান।
কাঁঠালে আছে
থায়ামিন,রিবোপ্লাবিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম,পটাশিয়াম,
অন্যদিকে কাঁঠালে আছে প্রচুর আমিষ,
শর্করা ভিটামিন,
কাঁঠাল ফল নিত্যান্তই চর্বিহীন।
এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহকে
ফ্রিরেডিকেল থেকে রক্ষা করে,
কাটালে থাকা ভিটামিন-এ রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে,
কাঁঠাল টেনশন এবং নার্ভাসনেস
কমাতে খুবই কার্যকরী,
বদহজম রোদে খুবই উপকারী।
কাঁঠালে থাকা ভিটামিন বি৬
হূদেরাগের ঝুঁকি কমায়,
এতে থাকা ভিটামিন সি এর কারণে
দাঁতের মাড়ি শক্ত হয়।
বদহজম রোধে খুবই উপকারী
কাঁঠালে পর্যাপ্ত পরিমাণে শর্করা
ক্যালোরি,ফ্রুক্টোজ,
দ্রুত শক্তি বাড়ায় এতে আছে সুক্রোজ।
কাঁঠালে কোলেস্টরেল জাতীয় উপাদান নেই,
এ ফলটি বেশ সুস্বাদু ও পুষ্টিকর দেখতে পাই।
কাঁঠালে থাকা কপার, ম্যাঙ্গানিজ,
ম্যাগনেসিয়াম রক্ত তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে,
এটি রক্তস্বল্পতা রোদে দারুন কাজ করে থাকে।
কাঁঠালে থাকা ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট
দুরারোগ্য রোগ প্রতিরোধী,
প্রতিরোধ করে আলসার, ক্যান্সার,
উচ্চ রক্তচাপের মত ব্যাধি।

আরও পড়ুন

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।