সর্বশেষঃ

দুই দিন বন্ধ থাকার পর ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌ-রুটে ফেরি ও সি-ট্রাক চলাচল শুরু

ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌপথে আজ শুক্রবার থেকে ফেরি ও সি-ট্রাক চলাচল শুরু হয়েছে। তবে এই নৌপথে লঞ্চ চলাচল এখনো বন্ধ আছে।

ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌ-রুটে ফেরি ও সি-ট্রাক চলাচল শুরু হয়েছে। দুই দিন বন্ধ থাকার পর আজ শুক্রবার সকাল থেকে এই নৌ-রুটে ফেরি ও সি-ট্রাক চলাচল শুরু হলো। তবে এ নৌপথে এখনো যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ বলেন, মেঘনা পৃথিবীর মধ্যে বৃহত্তম একটি নদী। এই নদী দিয়ে বাংলাদেশে, ভারতসহ এশিয়া মহাদেশের কয়েকটি দেশের পানি প্রবাহীত হচ্ছে। পানির সঙ্গে নেমে আসছে পলি ও বালু। এতে নদীর তলদেশ ভরে যাচ্ছে। ভোলায় এই কারণে নদী ভাঙনের প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ভাঙন রোধে ও দুর্যোগ মোকাবিলায় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সাধ্যমতো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বর্ষা মৌসুমে উত্তরের বন্যার পানি নামতে না নামতেই জোয়ার উঠছে। সঙ্গে আছে লঘুচাপ, এ কারণে বেড়েছে বৃষ্টি। যার কারণে জোয়ারের উচ্চতা বেড়ে যাচ্ছে। এ কারণে ভোলার সবটুকু বাঁধের উচ্চতা বৃদ্ধি করে ৮ মিটার করা উচিত।

ইলিশা ঘাটের দোকানদার মোঃ নুর ইসলাম জানান, সকাল থেকেই ফেরিঘাটে বৃষ্টি উপেক্ষা করে যাত্রীরা ঘাটে এসে ভিড় করছে। তারা লঞ্চে, ট্রলার ও সি–ট্রাকে উঠে নদী পারাপার হচ্ছে।

ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক মোঃ ইমরান খান ও মজুচৌধুরীর হাট ঘাটের ব্যবস্থাপক কাওসার হোসেন বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে ভোলার মেঘনা নদী উত্তাল ও বিপজ্জনক হওয়ায়। বুধবার বিকেল থেকে ফেরি, লঞ্চ ও সি-ট্রাক চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে শুক্রবার সকালে পরিস্থিতি অনেকটা অনুকূলে আসায় লক্ষ্মীপুর মজুচৌধুরীর হাট ফেরিঘাট থেকে সি-ট্রাক ছেড়ে আসে। ফেরিতেও গাড়ি লোড করা হয়েছে। ভোলার ইলিশা ঘাট থেকে বেলা সাড়ে ১১টায় যাত্রীবাহী সি-ট্রাক খিজির-৫ ছেড়ে গেছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ ভোলা নদীবন্দরের উপপরিচালক মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, এখনো ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌপথে লঞ্চ ছাড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়নি। যারা অনুমোদনহীন লঞ্চ ছেড়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।