সর্বশেষঃ

ভোলায় মাত্র ছয় কিস্তি দিয়েই বীমার টাকা পেলেন মৃত গ্রাহকের পরিবার

স্টাফ রিপোর্টার:: ভোলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির এক গ্রাহকের মৃত্যুদাবির চেক তাঁর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ১০ বছর মেয়াদি বীমার বিপরীতে মাত্র ছয়টি কিস্তি পরিশোধের পর গ্রাহকের মৃত্যু হলেও বীমার টাকা পেয়ে খুশি পরিবারটি।

মৃত গ্রাহক আব্দুল সহিদ দুই সপ্তাহ আগে স্ট্রোকজনিত কারণে মারা যান। তিনি সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসিতে ১০ বছর মেয়াদি একটি জীবন বীমা করেন। এতে প্রতি মাসে দুই হাজার টাকা প্রিমিয়াম নির্ধারিত ছিল। তিনি ছয়টি কিস্তি পরিশোধ করার পর আর প্রিমিয়াম দিতে পারেননি। তাঁর মৃত্যুর পর কোম্পানি মৃত্যুদাবির টাকা পরিশোধ করে।

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সিনিয়র ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মো. মনির হোসেন।

তিনি বলেন, “জীবন বীমা মানুষের বিপদের সময় আর্থিক নিরাপত্তা দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। একজন গ্রাহক বীমা করার মাধ্যমে নিজের পরিবারের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার উদ্যোগ নেন। গ্রাহকের মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়ানো এবং প্রাপ্য বীমার অর্থ বুঝিয়ে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। আমরা গ্রাহকদের আস্থা ও বিশ্বাসের মর্যাদা রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ২ নম্বর পূর্ব ইলিশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও রাজনীতিবিদ মো. কামাল হোসেন।

তিনি বলেন, “জীবনের অনিশ্চয়তার কথা বিবেচনা করে প্রত্যেক পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। বীমার মাধ্যমে পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি মারা গেলে তাঁর স্বজনেরা আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন। আব্দুল সহিদের পরিবারের হাতে বীমার টাকা তুলে দেওয়া একটি ইতিবাচক উদ্যোগ। এ ধরনের কার্যক্রম মানুষের মধ্যে বীমা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।”

এদিকে, বীমার টাকা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মৃত আব্দুল সহিদের স্ত্রী সালমা বেগম। তিনি বলেন, “আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর আমরা খুব কষ্টের মধ্যে ছিলাম। এই সময়ে বীমার টাকা পেয়ে আমাদের অনেক উপকার হয়েছে। অল্প কয়েকটি কিস্তি দেওয়ার পরও কোম্পানি আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং বীমার টাকা বুঝিয়ে দিয়েছে। এজন্য সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কর্তৃপক্ষের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। এই টাকা আমাদের পরিবারের ভবিষ্যৎ চলার পথে কিছুটা হলেও সহায়তা করবে।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বোরহানউদ্দিন ব্রাঞ্চ ইনচার্জ রাকিবুল ইসলাম ও ভোলার ইউনিট ম্যানেজার রেহানা আক্তার।

মৃত আব্দুল সহিদের স্ত্রী সালমা বেগম, ছেলে মো. তামিম এবং দুই মেয়ে তামান্না ও তানিশা মৃত্যুদাবির চেক গ্রহণ করেন। তাঁদের বাড়ি ভোলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের খোরশেদ বেপারী বাড়িতে।
উল্লেখ্য, সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির সরকারি নিবন্ধন নম্বর লাইফ-০২/২০১৩।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।