ভোলায় ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৫৬ জেলের জন্য ৩৫৯১ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ
ভোলায় ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৫৬ জেলের জন্য ৩৫৯১ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ

ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ২২ দিন ইলিশ আহরণে বিরত থাকা জেলেদের জীবনযাত্রা নির্বাহের জন্য ভোলায় ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৫৬টি নিবন্ধিত জেলে পরিবারের জন্য ৩ হাজার ৫৯১ দশমিক ৪ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মৎস্য-২ শাখার আদেশ অনুযায়ী, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে আগামী ২৩ আশ্বিন থেকে ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, অর্থাৎ ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এ সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলেদের মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পরিবারপ্রতি ২৫ কেজি হারে ভিজিএফ চাল দেওয়া হবে।
বরাদ্দ অনুযায়ী, ভোলা সদরে ২১ হাজার নিবন্ধিত জেলের জন্য ৫২৫ মেট্রিক টন, দৌলতখানে ২০ হাজার জেলের জন্য ৫০০ মেট্রিক টন, বোরহানউদ্দিনে ১৭ হাজার ২০০ জেলের জন্য ৪৩০ মেট্রিক টন এবং তজুমদ্দিনে ১৭ হাজার ৩০০ জেলের জন্য ৪৩২ দশমিক ৫ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া লালমোহনে ২১ হাজার নিবন্ধিত জেলের জন্য ৫২৫ মেট্রিক টন, চরফ্যাশনে ৩৫ হাজার ৬৫৬ জেলের জন্য ৮৯১ দশমিক ৪ মেট্রিক টন এবং মনপুরায় ১১ হাজার ৫০০ জেলের জন্য ২৮৭ দশমিক ৫ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ রয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের আদেশ অনুযায়ী, দেশের ৩৮ জেলার ১৬৮টি উপজেলার মোট ৬ লাখ ৪৬ হাজার ২৯০টি জেলে পরিবারের জন্য পরিবারপ্রতি ২৫ কেজি হারে মোট ১৬ হাজার ১৫৭ দশমিক ২৫ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ভোলা জেলার জেলেদের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৩ হাজার ৫৯১ দশমিক ৪ মেট্রিক টন চাল।
ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে নির্ধারিত ২২ দিন নদী ও সাগরে ইলিশ আহরণ বন্ধ থাকবে। এ সময়ে জেলেদের খাদ্য সহায়তা হিসেবে ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হবে।
