পথে-ঘাটে পথকুকুরের আতঙ্ক, জলাতঙ্ক প্রতিরোধে কতটা প্রস্তুত ভোলা ?
ভোলায় ইএসডিওর চাকরি মেলায় ৬৯ তরুণের কর্মসংস্থান

ভোলায় ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) উদ্যোগে আয়োজিত চাকরি মেলায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ৬৯ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। একই সঙ্গে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১৫ জন উদ্যোক্তা হিসেবে নিবন্ধন করেছেন। তাঁদের মধ্যে সাতজনের জন্য ৮ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোলা সদরের গ্র্যান্ড কমিউনিটি সেন্টারে এ চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত হয়। ইএসডিওর আয়োজনে মেলায় সহযোগিতা করে জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) ও কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কোইকা)।
আয়োজকেরা জানান, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া এবং বাল্যবিয়ের ঝুঁকিতে থাকা ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে ইএসডিওর বিকল্প শিক্ষা কার্যক্রম (এএলপি) প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে কারিগরি প্রশিক্ষণ, অনানুষ্ঠানিক শিক্ষানবিশ প্রশিক্ষণ ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ।
চাকরি মেলায় ইএসডিওর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১৮০ জন চাকরিপ্রত্যাশী নিবন্ধন করেন। তাঁদের মধ্যে ৬৯ জন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেয়েছেন। এ ছাড়া ১৫ জন উদ্যোক্তা হিসেবে নিবন্ধন করেন। তাঁদের মধ্যে সাতজনের জন্য ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
চাকরি মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. বেলাল হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল কুমার দাস, ইউনিসেফ বরিশাল বিভাগের চিফ ফিল্ড অফিসার মো. কাওসার হোসেন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক রজত শুভ্র সরকার, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. ইকবাল হোসেন এবং জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহ আব্দুর রহিম নুরুন্নবী।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এএলপি প্রকল্পের বরিশাল অঞ্চলের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. মানিক মিয়াসহ ইএসডিওর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. শাহরিয়ার মাহমুদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাবজেক্ট ম্যাটার এক্সপার্ট মো. সাজু ইসলাম।
ইএসডিওর প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. শাহরিয়ার মাহমুদ বলেন, ইএসডিওর বাস্তবায়নে ও ইউনিসেফের সহযোগিতায় ভোলাসহ চারটি জেলায় এএলপি প্রকল্পের কার্যক্রম চলছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া এবং বাল্যবিয়ের ঝুঁকিতে থাকা কিশোর-কিশোরীদের কারিগরি ও জীবনমুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাঁদের কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলাই এ কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য।
চাকরি মেলায় অংশ নেওয়া প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণ-তরুণীরা নিজেদের দক্ষতা ও যোগ্যতা অনুযায়ী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির আবেদন করেন এবং সাক্ষাৎকারে অংশ নেন। আয়োজকদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ তরুণদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতেও ভূমিকা রাখবে।
