সর্বশেষঃ

পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করায় ড. খলিলুর রহমানকে জিজেইউএসের সংবর্ধনা

গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা (জিজেইউএস)-এর অতিরিক্ত পরিচালক ড. খলিলুর রহমান পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করায় তাকে সংস্থার পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জিজেইউএসের নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন মহিন সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংস্থার পরিচালক (ইন্টারনাল ট্রেনিং ও মনিটরিং)। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পরিচালক (হিসাব ও অর্থ) মো. হুমায়ুন কবির চৌধুরী। এ সময় সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানান এবং তার এই অর্জনের জন্য শুভেচ্ছা ও ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেন।

ড. খলিলুর রহমানের শিক্ষাজীবনের শুরু ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার লাহিড়ী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে। সেখান থেকে তিনি এসএসসি এবং রংপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভেটেরিনারি সায়েন্সে স্নাতক এবং ফার্মাকোলজিতে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তী সময়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন। পাশাপাশি খুলনা প্রকৌশলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) থেকে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন।

শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি গবেষণার প্রতিও ড. খলিলুর রহমানের রয়েছে বিশেষ আগ্রহ। পিএইচডি পর্যায়ে তিনি মহিষ নিয়ে গবেষণা করেছেন। শিক্ষা, গবেষণা ও দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তিনি উন্নয়ন খাতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। তার অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা জিজেইউএসের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সাধারণ কৃষক পরিবার থেকে উঠে আসা ড. খলিলুর রহমানের এই অর্জনের পেছনে রয়েছে দীর্ঘ শিক্ষাযাত্রা ও কর্মনিষ্ঠা। তিনি কৃষক মহিবুর রহমানের সন্তান। সাত ভাই-বোনের মধ্যে তিনি পঞ্চম। পারিবারিকভাবে সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান হয়েও শিক্ষা ও কর্মজীবনে নিজ যোগ্যতায় তিনি নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন।

ব্যক্তিগত জীবনে ড. খলিলুর রহমান বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক। তার পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনকে জিজেইউএস পরিবারের পক্ষ থেকে শিক্ষা, গবেষণা ও পেশাগত জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করে তাকে অভিনন্দন জানানো হয়।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।