মন্ত্রিসভায় রদবদল: এলজিআরডিতে সালাহউদ্দিন, স্বরাষ্ট্রে এ্যানি
কে হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি, জানা যাবে আজ!

তফসিল অনুযায়ী, বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার নির্ধারিত দিন আজ। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ক্ষমতাসীন বিএনপির একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন সেটি সহজেই অনুমেয়। তবে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি বিএনপি। আজ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে প্রার্থীর নাম জানানো হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
ইতোমধ্যে ক্ষমতাসীন দলটি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে।
অপরদিকে, বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট। জোটের অন্যতম শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।
তবে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থীর জয় প্রায় অসম্ভব বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বিধানের কারণে সংসদ সদস্যদের দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই।
এর আগে, গত ২৪ জুলাই ‘ব্যক্তিগত কারণ’ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি। জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে নির্বাচন কমিশন। সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার বিধান রয়েছে।
গত ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
তফসিল অনুযায়ী, আজ ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর ১৬ আগস্ট সকাল ১০টায় মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে। ১৮ আগস্ট বিকাল ৪টা পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ থাকবে।
একাধিক প্রার্থী থাকলে ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিজেই নির্বাচনি কর্তা বা রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত আইন ও সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
