সর্বশেষঃ

লোডশেডিংয়ের রেকর্ড, অনেক এলাকায় ১০ ঘণ্টা থাকছে না বিদ্যুৎ

গত কয়েকদিন বাংলাদেশে লোডশেডিং পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারন করেছে। এরইমধ্যে ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। গ্যাস সরবরাহের সংকট দেশের ভঙ্গুর বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর নতুন করে প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করেছে। তীব্র গরমে সারা দেশের লোডশেডিং সব রেকর্ড ভঙ্গ করছে। ঢাকার বাইরে কোথাও বিদ্যুৎ থাকছে না।

রোববার বিকাল ৩টায় সারা দেশে লোডশেডিং হয়েছে প্রায় তিন হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। এমন পরিস্থিতিতে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনগণ।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-পিডিবি জানিয়েছে, কয়লা এবং গ্যাস সংকটের কারণে স্বাভাবিক সময়ের মতো বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ভারতের আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎ উৎপাদন হ্রাস। তাই লোডশেডিংয়ের রেকর্ড হচ্ছে। এর আগে গত সপ্তাহে সর্বোচ্চ লোডশেডিং হয়েছে তিন হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। কিন্তু রোববার বিকাল ৩টায় লোডশেডিং ছিল তিন হাজার ৬৭১ মেগাওয়াট। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে পিডিবি এবং দেশের সব বিতরণ কোম্পানি। অভিযোগ আছে অনেক এলাকায় সারাদিন রাতে ১০ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ থাকছে না। পিডিবির কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, বিদ্যুতের এমন পরিস্থিতি আগে খুব বেশি হয়নি।

পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ-পিজিসিবির হিসাব অনুযায়ী রোববার বিকাল ৩টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৫৯ মেগাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ হয়েছে মাত্র ১২ হাজার ৩৮৮ মেগাওয়াট। বিকাল ৫টায় এই সরবরাহ কিছুটা বেড়ে ১৩ হাজার মেগাওয়াটে ঠেকেছে। এর পরও লোডশেডিং ছিল দুই হাজার ৯৬৭ মেগাওয়াট।

পিডিবি জানিয়েছে, আদানির সরবরাহ হঠাৎ করে অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে। সাধারণ পিক আওয়ারে এক হাজার ৬০০ মেগাওয়াট দেওয়া হলেও রোববার বিকাল ৫টায় দেওয়া হয়েছে ৮১৫ মেগাওয়াট। বৈরী আবহাওয়ার কারণে আদানি কয়লা পরিবহণ করতে পারছে না। এ কারণে কয়লার মজুতও কমে গেছে। তাই তারা বিদ্যুৎ উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে বলে পিডিবিকে জানিয়েছে। তবে তাদের এ তথ্য কতটুকু সত্য তা যাচাই করতে পারেনি পিডিবি। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আপাতত আদানির তথ্য বিশ্বাস করা ছাড়া উপায় নেই। কারণ সেখানে পরিদর্শনের কোনো সুযোগও নেই।

 

আদানি ছাড়া কয়লা সংকট এবং যান্ত্রিক কারণে বড়পুকুরিয়া, বরিশাল ইলেকট্রিক কোম্পানি, মাতারবাড়ী, পায়রা, রামপাল, এস আলম গ্রুপের এসএস পাওয়ার এবং আরএনপিএলের কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হচ্ছে। এর মধ্যে পায়রার একটি ইউনিট রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত বন্ধ ছিল। সেটি রাতে চালু হয়েছে বলে চানা গেছে। এ কারণে পায়রায় ১৩২০ মেগাওয়াটের ক্ষমতা থাকলেও উৎপাদন হয়েছে ৭১০ মেগাওয়াট। ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী বিদ্যুৎকেন্দ্র যান্ত্রিক সক্ষমতা দুর্বল। তাই এর দুটি ইউনিট থেকে উৎপাদন হচ্ছে এক হাজার ১৬৫ মেগাওয়াট। এসএস পাওয়ারের কয়লার দাম বাড়িয়ে দেওয়ার পরও এর দুটি ইউনিট থেকে উৎপাদন হচ্ছে এক হাজার ১৬৩ মেগাওয়াট। অথচ এর উৎপাদন ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট।

 

বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের চাহিদা দৈনিক ১০০ কোটি ঘনফুটের বেশি। সেখানে সরবরাহ করা হচ্ছে ৭০ কোটি ঘনফুট। তাই গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হচ্ছে কমপক্ষে দুই হাজার মেগাওয়াট। গতকাল বিকাল ৫টায় দেশের সব গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলোতে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে তিন হাজার ৫৮৯ মেগাওয়াট। অথচ সক্ষমতা আছে ১০ হাজার মেগাওয়াটের। তেলভিত্তিক কেন্দ্র থেকেও উৎপাদন হচ্ছে দুই হাজার মেগাওয়াটের মতো। অথচ উৎপাদনের সক্ষমতা হচ্ছে ৫ হাজার মেগাওয়াটের বেশি।

 

পিডিবি জানিয়েছে, গ্যাস সংকটের কারণে কমপক্ষে দুই হাজার এবং কয়লা সংকট ও অন্যান্য কারণে কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলো উৎপাদন কমেছে স্বাভাবিকের চেয়ে কমপক্ষে এক হাজার মেগাওয়াট। মূলত এ তিন হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন ঘাটতির কারণে সারা দেশে ভয়াবহ লোডশেডিং এর অন্ধকার ঢেকে গেছে।

 

ভাসমান টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বাড়তে পারে : এদিকে, ২১ জুলাই মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুন ধরে গেলে গ্যাসের সরবরাহ দৈনিক ৫১ কোটি ঘনফুট কমে যায়। এ কারণে সারা দেশে গ্যাস সংকট দেখা দেয়। বিশেষ করে শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং বিদ্যুতের উৎপাদন অনেক কমে যায়। সে টার্মিনাল মেরামতের পর ৫ আগস্ট রাতে আংশিক গ্যাস সরবরাহ শুরু করে। রোববার সন্ধ্যা ৬টায় দেশের দুটি ভাসমান টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ দেওয়া হয়েছে ৭৫ কোটি ৭০ লাখ ঘনফুট। যা আগে দেওয়া হতো ১১০ কোটি ঘনফুট।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সব কিছু ঠিক থাকলে আজ সোমবার রাত ১১টার পর এক্সিলারেট এনার্জি পুরোদমে গ্যাস সরবরাহ শুরু করতে পারে। তবে তা নিশ্চিত নয়। তখন দেশে গ্যাস সরবরাহ দৈনিক ২৬৫ কোটি ঘনফুটে গিয়ে দাঁড়াতে পারে।

আরও পড়ুন

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবারের পাসের হার ৭০ শতাংশ!   এ বছর মাধ্যমিক (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় প্রায় ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। যা ২০২৫ সালে পাসের হারের তুলনায় প্রায় দুই শতাংশ বেশি। রোববার (৯ আগস্ট) সাধারণ এবং বিশেষায়িত শিক্ষা বোর্ডসূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।  পরীক্ষার ফলাফল সোমবার সকাল ১০টায় প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অপেক্ষার অবসান হবে।  ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ওই বছর পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটিই কমেছিল। যা গত ১৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম ছিল। ২০২৪ সালে মাধ্যমিকে পাসের হার ছিল ৮৩ দশমিক ৪ শতাংশ। ২০২৩ সালে এসএসসিতে পাসের হার ছিল ৮০ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং ২০২২ সালে ছিল ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ।  করোনা মহামারির মধ্যে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হওয়া ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল সর্বোচ্চ ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ।  ২০১০ সালে গড় পাসের হার ৭৮ দশমিক ৯১ শতাংশের পর এই সময়ের মধ্যে কেবল ২০১৮ সালে পাসের হার ছিল সবচেয়ে কম ৭৭ দশমিক ৮ শতাংশ। তবে সেটিও ছিল এবারের চেয়ে অনেক বেশি। এর আগে ২০০৯ সালে পাসের হার ছিল ৬৭ দশমিক ৪১ শতাংশ।  টানা প্রায় ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকাকালে পরীক্ষার ফলাফল ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে প্রকাশের অভিযোগ ছিল আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে। অন্তর্বর্তী সরকার সেই পথে হাঁটেনি।   সাধারণত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ পর এবার ফল প্রকাশ করতে যাচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।   যেভাবে ফল জানা যাবে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। পরীক্ষা চলে ২০ মে পর্যন্ত। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষার্থীরা এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন। পাশাপাশি সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটেও ফল প্রকাশ করা হবে। এ ছাড়া দুটি অভিন্ন ওয়েবসাইট — eduboardresult.gov.bd ও educationboardresults.gov.bd — থেকেও ফলাফল জানা যাবে।  এসএমএসে যেভাবে ফল জানা যাবে মোবাইলে যেকোনো সিম ব্যবহার করে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে। এ জন্য মেসেজ অপশনে গিয়ে প্রথমে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর রোল নম্বর লিখতে হবে। এরপর স্পেস দিয়ে YEAR লিখে ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে পরীক্ষার ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।  ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এসএমএসের ফরম্যাট হবে SSC DHA ROLL YEAR। মাদরাসা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষার্থীদের ফল জানতে SSC MAD ROLL YEAR লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের SSC TEC ROLL YEAR লিখে একই নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।  প্রতিটি এসএমএসের জন্য ১ টাকা ৩৯ পয়সা চার্জ প্রযোজ্য হবে। এই চার্জের মধ্যে সব ধরনের কর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।  খাতা চ্যালেঞ্জ আবেদন শুরু ১১ আগস্ট ফল প্রকাশের পর কোনো পরীক্ষার্থী অসন্তুষ্ট বা খারাপ ফল করলে তা চ্যালেঞ্জের সুযোগ রয়েছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১১ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে যেকোনো পরীক্ষার্থী এ আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।  এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন।  মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় ফরম পূরণ করে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী।

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবারের পাসের হার ৭০ শতাংশ! এ বছর মাধ্যমিক (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় প্রায় ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। যা ২০২৫ সালে পাসের হারের তুলনায় প্রায় দুই শতাংশ বেশি। রোববার (৯ আগস্ট) সাধারণ এবং বিশেষায়িত শিক্ষা বোর্ডসূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। পরীক্ষার ফলাফল সোমবার সকাল ১০টায় প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অপেক্ষার অবসান হবে। ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ওই বছর পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটিই কমেছিল। যা গত ১৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম ছিল। ২০২৪ সালে মাধ্যমিকে পাসের হার ছিল ৮৩ দশমিক ৪ শতাংশ। ২০২৩ সালে এসএসসিতে পাসের হার ছিল ৮০ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং ২০২২ সালে ছিল ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ। করোনা মহামারির মধ্যে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হওয়া ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল সর্বোচ্চ ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ। ২০১০ সালে গড় পাসের হার ৭৮ দশমিক ৯১ শতাংশের পর এই সময়ের মধ্যে কেবল ২০১৮ সালে পাসের হার ছিল সবচেয়ে কম ৭৭ দশমিক ৮ শতাংশ। তবে সেটিও ছিল এবারের চেয়ে অনেক বেশি। এর আগে ২০০৯ সালে পাসের হার ছিল ৬৭ দশমিক ৪১ শতাংশ। টানা প্রায় ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকাকালে পরীক্ষার ফলাফল ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে প্রকাশের অভিযোগ ছিল আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে। অন্তর্বর্তী সরকার সেই পথে হাঁটেনি। সাধারণত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ পর এবার ফল প্রকাশ করতে যাচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। যেভাবে ফল জানা যাবে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। পরীক্ষা চলে ২০ মে পর্যন্ত। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষার্থীরা এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন। পাশাপাশি সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটেও ফল প্রকাশ করা হবে। এ ছাড়া দুটি অভিন্ন ওয়েবসাইট — eduboardresult.gov.bd ও educationboardresults.gov.bd — থেকেও ফলাফল জানা যাবে। এসএমএসে যেভাবে ফল জানা যাবে মোবাইলে যেকোনো সিম ব্যবহার করে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে। এ জন্য মেসেজ অপশনে গিয়ে প্রথমে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর রোল নম্বর লিখতে হবে। এরপর স্পেস দিয়ে YEAR লিখে ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে পরীক্ষার ফল জানিয়ে দেওয়া হবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এসএমএসের ফরম্যাট হবে SSC DHA ROLL YEAR। মাদরাসা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষার্থীদের ফল জানতে SSC MAD ROLL YEAR লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের SSC TEC ROLL YEAR লিখে একই নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। প্রতিটি এসএমএসের জন্য ১ টাকা ৩৯ পয়সা চার্জ প্রযোজ্য হবে। এই চার্জের মধ্যে সব ধরনের কর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। খাতা চ্যালেঞ্জ আবেদন শুরু ১১ আগস্ট ফল প্রকাশের পর কোনো পরীক্ষার্থী অসন্তুষ্ট বা খারাপ ফল করলে তা চ্যালেঞ্জের সুযোগ রয়েছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১১ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে যেকোনো পরীক্ষার্থী এ আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় ফরম পূরণ করে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী।

ফেসবুকে লাইক দিন

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবারের পাসের হার ৭০ শতাংশ! এ বছর মাধ্যমিক (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় প্রায় ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। যা ২০২৫ সালে পাসের হারের তুলনায় প্রায় দুই শতাংশ বেশি। রোববার (৯ আগস্ট) সাধারণ এবং বিশেষায়িত শিক্ষা বোর্ডসূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। পরীক্ষার ফলাফল সোমবার সকাল ১০টায় প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অপেক্ষার অবসান হবে। ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ওই বছর পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটিই কমেছিল। যা গত ১৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম ছিল। ২০২৪ সালে মাধ্যমিকে পাসের হার ছিল ৮৩ দশমিক ৪ শতাংশ। ২০২৩ সালে এসএসসিতে পাসের হার ছিল ৮০ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং ২০২২ সালে ছিল ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ। করোনা মহামারির মধ্যে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হওয়া ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল সর্বোচ্চ ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ। ২০১০ সালে গড় পাসের হার ৭৮ দশমিক ৯১ শতাংশের পর এই সময়ের মধ্যে কেবল ২০১৮ সালে পাসের হার ছিল সবচেয়ে কম ৭৭ দশমিক ৮ শতাংশ। তবে সেটিও ছিল এবারের চেয়ে অনেক বেশি। এর আগে ২০০৯ সালে পাসের হার ছিল ৬৭ দশমিক ৪১ শতাংশ। টানা প্রায় ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকাকালে পরীক্ষার ফলাফল ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে প্রকাশের অভিযোগ ছিল আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে। অন্তর্বর্তী সরকার সেই পথে হাঁটেনি। সাধারণত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ পর এবার ফল প্রকাশ করতে যাচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। যেভাবে ফল জানা যাবে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। পরীক্ষা চলে ২০ মে পর্যন্ত। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষার্থীরা এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন। পাশাপাশি সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটেও ফল প্রকাশ করা হবে। এ ছাড়া দুটি অভিন্ন ওয়েবসাইট — eduboardresult.gov.bd ও educationboardresults.gov.bd — থেকেও ফলাফল জানা যাবে। এসএমএসে যেভাবে ফল জানা যাবে মোবাইলে যেকোনো সিম ব্যবহার করে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে। এ জন্য মেসেজ অপশনে গিয়ে প্রথমে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর রোল নম্বর লিখতে হবে। এরপর স্পেস দিয়ে YEAR লিখে ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে পরীক্ষার ফল জানিয়ে দেওয়া হবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এসএমএসের ফরম্যাট হবে SSC DHA ROLL YEAR। মাদরাসা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষার্থীদের ফল জানতে SSC MAD ROLL YEAR লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের SSC TEC ROLL YEAR লিখে একই নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। প্রতিটি এসএমএসের জন্য ১ টাকা ৩৯ পয়সা চার্জ প্রযোজ্য হবে। এই চার্জের মধ্যে সব ধরনের কর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। খাতা চ্যালেঞ্জ আবেদন শুরু ১১ আগস্ট ফল প্রকাশের পর কোনো পরীক্ষার্থী অসন্তুষ্ট বা খারাপ ফল করলে তা চ্যালেঞ্জের সুযোগ রয়েছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১১ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে যেকোনো পরীক্ষার্থী এ আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় ফরম পূরণ করে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী।

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।