সর্বশেষঃ

বরিশালের সৌন্দর্য ও মানুষের আন্তরিকতায় মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত

বরিশালের সৌন্দর্য ও মানুষের আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। বরিশালে প্রথমবার এসে নৌকা ভ্রমণ ও ভাসমান বাজার ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেছেন, বরিশাল খুব সুন্দর জায়গা। নৌকা ভ্রমণ তাঁর ভীষণ পছন্দের।

রোববার দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবের আয়োজনে একটি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। নগরের কীর্তনখোলা নদীতে একটি লঞ্চে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, এটা বরিশালে আমার প্রথমবার। বরিশাল খুব সুন্দর। নৌকা ভ্রমণ আমার ভীষণ পছন্দের। ঢাকা থেকে এসে আমি ভাসমান বাজার ভ্রমণ করেছি। আপনাদের সবার সঙ্গে পরিচিত হতে পেরে ভালো লেগেছে।

বরিশাল শহরের সৌন্দর্যের প্রশংসা করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, শহরটি খুবই সুন্দর। বরিশালের মানুষের আন্তরিকতায় তিনি মুগ্ধ হয়েছেন।

অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ। দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কও ঘনিষ্ঠ। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বরিশালে আসায় তাঁরা আনন্দিত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, রাষ্ট্রদূত ভবিষ্যতেও বারবার বরিশালে আসবেন।

অনুষ্ঠানে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম খসরু, সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেনসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে বরিশালের ঐতিহ্যবাহী মিয়াবাড়ি মসজিদ পরিদর্শন করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নে অবস্থিত প্রাচীন এই মসজিদে যান। মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করে স্থাপত্য ও সৌন্দর্য ঘুরে দেখেন তিনি।

মিয়াবাড়ি মসজিদ পরিদর্শনের আগে মসজিদসংলগ্ন উত্তর কড়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। এ সময় তিনি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে গিয়ে পাঠদান কার্যক্রম দেখেন এবং শিক্ষার পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজ নেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন।

বরিশালে আসার আগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ঝালকাঠির ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা বাজার ও পেয়ারা বাগান ঘুরে দেখেন। সেখানে তিনি নৌকায় করে ভাসমান বাজার ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় মানুষের জীবনযাপন ও বরিশাল অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা চাষ সম্পর্কে ধারণা নেন।

বরিশাল সফরের বিভিন্ন পর্যায়ে স্থানীয় ঐতিহ্য, শিক্ষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি নদী ও নৌকাকেন্দ্রিক জীবনযাত্রা দেখার সুযোগ পান মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

আরও পড়ুন

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবারের পাসের হার ৭০ শতাংশ!   এ বছর মাধ্যমিক (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় প্রায় ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। যা ২০২৫ সালে পাসের হারের তুলনায় প্রায় দুই শতাংশ বেশি। রোববার (৯ আগস্ট) সাধারণ এবং বিশেষায়িত শিক্ষা বোর্ডসূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।  পরীক্ষার ফলাফল সোমবার সকাল ১০টায় প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অপেক্ষার অবসান হবে।  ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ওই বছর পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটিই কমেছিল। যা গত ১৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম ছিল। ২০২৪ সালে মাধ্যমিকে পাসের হার ছিল ৮৩ দশমিক ৪ শতাংশ। ২০২৩ সালে এসএসসিতে পাসের হার ছিল ৮০ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং ২০২২ সালে ছিল ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ।  করোনা মহামারির মধ্যে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হওয়া ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল সর্বোচ্চ ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ।  ২০১০ সালে গড় পাসের হার ৭৮ দশমিক ৯১ শতাংশের পর এই সময়ের মধ্যে কেবল ২০১৮ সালে পাসের হার ছিল সবচেয়ে কম ৭৭ দশমিক ৮ শতাংশ। তবে সেটিও ছিল এবারের চেয়ে অনেক বেশি। এর আগে ২০০৯ সালে পাসের হার ছিল ৬৭ দশমিক ৪১ শতাংশ।  টানা প্রায় ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকাকালে পরীক্ষার ফলাফল ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে প্রকাশের অভিযোগ ছিল আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে। অন্তর্বর্তী সরকার সেই পথে হাঁটেনি।   সাধারণত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ পর এবার ফল প্রকাশ করতে যাচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।   যেভাবে ফল জানা যাবে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। পরীক্ষা চলে ২০ মে পর্যন্ত। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষার্থীরা এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন। পাশাপাশি সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটেও ফল প্রকাশ করা হবে। এ ছাড়া দুটি অভিন্ন ওয়েবসাইট — eduboardresult.gov.bd ও educationboardresults.gov.bd — থেকেও ফলাফল জানা যাবে।  এসএমএসে যেভাবে ফল জানা যাবে মোবাইলে যেকোনো সিম ব্যবহার করে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে। এ জন্য মেসেজ অপশনে গিয়ে প্রথমে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর রোল নম্বর লিখতে হবে। এরপর স্পেস দিয়ে YEAR লিখে ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে পরীক্ষার ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।  ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এসএমএসের ফরম্যাট হবে SSC DHA ROLL YEAR। মাদরাসা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষার্থীদের ফল জানতে SSC MAD ROLL YEAR লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের SSC TEC ROLL YEAR লিখে একই নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।  প্রতিটি এসএমএসের জন্য ১ টাকা ৩৯ পয়সা চার্জ প্রযোজ্য হবে। এই চার্জের মধ্যে সব ধরনের কর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।  খাতা চ্যালেঞ্জ আবেদন শুরু ১১ আগস্ট ফল প্রকাশের পর কোনো পরীক্ষার্থী অসন্তুষ্ট বা খারাপ ফল করলে তা চ্যালেঞ্জের সুযোগ রয়েছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১১ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে যেকোনো পরীক্ষার্থী এ আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।  এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন।  মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় ফরম পূরণ করে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী।

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবারের পাসের হার ৭০ শতাংশ! এ বছর মাধ্যমিক (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় প্রায় ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। যা ২০২৫ সালে পাসের হারের তুলনায় প্রায় দুই শতাংশ বেশি। রোববার (৯ আগস্ট) সাধারণ এবং বিশেষায়িত শিক্ষা বোর্ডসূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। পরীক্ষার ফলাফল সোমবার সকাল ১০টায় প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অপেক্ষার অবসান হবে। ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ওই বছর পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটিই কমেছিল। যা গত ১৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম ছিল। ২০২৪ সালে মাধ্যমিকে পাসের হার ছিল ৮৩ দশমিক ৪ শতাংশ। ২০২৩ সালে এসএসসিতে পাসের হার ছিল ৮০ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং ২০২২ সালে ছিল ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ। করোনা মহামারির মধ্যে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হওয়া ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল সর্বোচ্চ ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ। ২০১০ সালে গড় পাসের হার ৭৮ দশমিক ৯১ শতাংশের পর এই সময়ের মধ্যে কেবল ২০১৮ সালে পাসের হার ছিল সবচেয়ে কম ৭৭ দশমিক ৮ শতাংশ। তবে সেটিও ছিল এবারের চেয়ে অনেক বেশি। এর আগে ২০০৯ সালে পাসের হার ছিল ৬৭ দশমিক ৪১ শতাংশ। টানা প্রায় ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকাকালে পরীক্ষার ফলাফল ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে প্রকাশের অভিযোগ ছিল আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে। অন্তর্বর্তী সরকার সেই পথে হাঁটেনি। সাধারণত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ পর এবার ফল প্রকাশ করতে যাচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। যেভাবে ফল জানা যাবে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। পরীক্ষা চলে ২০ মে পর্যন্ত। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষার্থীরা এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন। পাশাপাশি সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটেও ফল প্রকাশ করা হবে। এ ছাড়া দুটি অভিন্ন ওয়েবসাইট — eduboardresult.gov.bd ও educationboardresults.gov.bd — থেকেও ফলাফল জানা যাবে। এসএমএসে যেভাবে ফল জানা যাবে মোবাইলে যেকোনো সিম ব্যবহার করে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে। এ জন্য মেসেজ অপশনে গিয়ে প্রথমে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর রোল নম্বর লিখতে হবে। এরপর স্পেস দিয়ে YEAR লিখে ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে পরীক্ষার ফল জানিয়ে দেওয়া হবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এসএমএসের ফরম্যাট হবে SSC DHA ROLL YEAR। মাদরাসা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষার্থীদের ফল জানতে SSC MAD ROLL YEAR লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের SSC TEC ROLL YEAR লিখে একই নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। প্রতিটি এসএমএসের জন্য ১ টাকা ৩৯ পয়সা চার্জ প্রযোজ্য হবে। এই চার্জের মধ্যে সব ধরনের কর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। খাতা চ্যালেঞ্জ আবেদন শুরু ১১ আগস্ট ফল প্রকাশের পর কোনো পরীক্ষার্থী অসন্তুষ্ট বা খারাপ ফল করলে তা চ্যালেঞ্জের সুযোগ রয়েছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১১ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে যেকোনো পরীক্ষার্থী এ আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় ফরম পূরণ করে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী।

ফেসবুকে লাইক দিন

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবারের পাসের হার ৭০ শতাংশ! এ বছর মাধ্যমিক (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় প্রায় ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। যা ২০২৫ সালে পাসের হারের তুলনায় প্রায় দুই শতাংশ বেশি। রোববার (৯ আগস্ট) সাধারণ এবং বিশেষায়িত শিক্ষা বোর্ডসূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। পরীক্ষার ফলাফল সোমবার সকাল ১০টায় প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অপেক্ষার অবসান হবে। ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ওই বছর পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটিই কমেছিল। যা গত ১৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম ছিল। ২০২৪ সালে মাধ্যমিকে পাসের হার ছিল ৮৩ দশমিক ৪ শতাংশ। ২০২৩ সালে এসএসসিতে পাসের হার ছিল ৮০ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং ২০২২ সালে ছিল ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ। করোনা মহামারির মধ্যে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হওয়া ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল সর্বোচ্চ ৯৩ দশমিক ৬ শতাংশ। ২০১০ সালে গড় পাসের হার ৭৮ দশমিক ৯১ শতাংশের পর এই সময়ের মধ্যে কেবল ২০১৮ সালে পাসের হার ছিল সবচেয়ে কম ৭৭ দশমিক ৮ শতাংশ। তবে সেটিও ছিল এবারের চেয়ে অনেক বেশি। এর আগে ২০০৯ সালে পাসের হার ছিল ৬৭ দশমিক ৪১ শতাংশ। টানা প্রায় ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকাকালে পরীক্ষার ফলাফল ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে প্রকাশের অভিযোগ ছিল আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে। অন্তর্বর্তী সরকার সেই পথে হাঁটেনি। সাধারণত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ পর এবার ফল প্রকাশ করতে যাচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। যেভাবে ফল জানা যাবে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। পরীক্ষা চলে ২০ মে পর্যন্ত। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষার্থীরা এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন। পাশাপাশি সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটেও ফল প্রকাশ করা হবে। এ ছাড়া দুটি অভিন্ন ওয়েবসাইট — eduboardresult.gov.bd ও educationboardresults.gov.bd — থেকেও ফলাফল জানা যাবে। এসএমএসে যেভাবে ফল জানা যাবে মোবাইলে যেকোনো সিম ব্যবহার করে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে। এ জন্য মেসেজ অপশনে গিয়ে প্রথমে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর রোল নম্বর লিখতে হবে। এরপর স্পেস দিয়ে YEAR লিখে ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে পরীক্ষার ফল জানিয়ে দেওয়া হবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এসএমএসের ফরম্যাট হবে SSC DHA ROLL YEAR। মাদরাসা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষার্থীদের ফল জানতে SSC MAD ROLL YEAR লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের SSC TEC ROLL YEAR লিখে একই নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। প্রতিটি এসএমএসের জন্য ১ টাকা ৩৯ পয়সা চার্জ প্রযোজ্য হবে। এই চার্জের মধ্যে সব ধরনের কর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। খাতা চ্যালেঞ্জ আবেদন শুরু ১১ আগস্ট ফল প্রকাশের পর কোনো পরীক্ষার্থী অসন্তুষ্ট বা খারাপ ফল করলে তা চ্যালেঞ্জের সুযোগ রয়েছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১১ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে যেকোনো পরীক্ষার্থী এ আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় ফরম পূরণ করে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী।

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।