সর্বশেষঃ

সামান্য বৃষ্টিতেই চরফ্যাশন চৌকি আদালত প্রাঙ্গণে জলাবদ্ধতা, নিরসনে ৪৬ লাখ টাকার প্রকল্প

ভোলার চরফ্যাশন চৌকি আদালত প্রাঙ্গণের সামনে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ আদালতে আসা মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ৪৬ লাখ টাকার একটি ড্রেনেজ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ১১টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, অল্প সময়ের বৃষ্টিতেই আদালতের সামনের সড়ক ও প্রধান প্রবেশপথে পানি জমে যায়। এতে আদালতে প্রবেশ ও চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। বিচারপ্রার্থীদের অনেককে জমে থাকা পানি মাড়িয়ে আদালতে প্রবেশ করতে দেখা যায়।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, আদালত প্রাঙ্গণে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার এ সমস্যা থাকলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী সমাধান হয়নি। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় দ্রুত কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

চৌকি আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এডিশনাল পিপি) হযরত আলী হিরণ বলেন, ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়নের নির্দেশনায় আদালত এলাকার ড্রেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করা হয়েছিল। এ সংক্রান্ত বিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া হলেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। পরে সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হলেও সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশিত সহযোগিতা মেলেনি। তিনি দ্রুত স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের দাবি জানান।

চরফ্যাশন চৌকি আদালত আইনজীবী সমিতির সভাপতি রমিজ উদ্দিন বলেন, আদালতে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ সেবা নিতে আসেন। কিন্তু সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার কারণে তাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। তিনি দ্রুত স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

স্থানীয়দের ভাষ্য, আদালতের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের সামনে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতা থাকা জনসাধারণের জন্য দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, আদালত এলাকার জলাবদ্ধতার বিষয়টি প্রশাসনের নজরে রয়েছে। সমস্যা সমাধানে ৪৬ লাখ টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। ড্রেনেজ নির্মাণকাজ শিগগিরই শুরু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।