সর্বশেষঃ

চরফ্যাশনের দুই দাখিল মাদরাসার সুপারকে শোকজ, এমপিও আবেদনে জালিয়াতির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার :

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দুটি দাখিল মাদরাসার সুপারকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। নতুন এমপিওভুক্তির আবেদন যাচাই-বাছাইয়ে জাল কাগজপত্র ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়ার পর এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখার সহকারী পরিচালক ও সদস্যসচিব মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদার স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি অফিস আদেশে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। শোকজপ্রাপ্তরা হলেন চরফ্যাশন উপজেলার পূর্ব ফরিদাবাদ ইউনুছিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মো. জাফর উদ্দিন এবং চর শশীভূষণ হোসাইনিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মো. ওমর ফারুক।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ অনুযায়ী নতুন এমপিও আবেদন যাচাইয়ের সময় দুটি প্রতিষ্ঠানের আবেদনে গুরুতর অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, মহাপরিচালকের প্রতিনিধির নামে জাল চিঠি তৈরি, ভুয়া নিয়োগ বোর্ড গঠন, জাল ফলাফলপত্র প্রস্তুত এবং মহাপরিচালকের প্রতিনিধির জাল স্বাক্ষর ব্যবহার করে নতুন এমপিওভুক্তির আবেদন পাঠানো হয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্ত করে অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটি উভয় প্রতিষ্ঠানের নতুন এমপিও আবেদন বাতিলের সুপারিশ করে।

অভিযোগ অনুযায়ী, পূর্ব ফরিদাবাদ ইউনুছিয়া দাখিল মাদরাসায় মো. মিরাজ হোসেন এবং চর শশীভূষণ হোসাইনিয়া দাখিল মাদরাসায় আফফান নামে একজনকে বিধিবহির্ভূতভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১-এর ১৮.১ (গ) ও (ঙ) ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দুই সুপারের বর্তমান এমপিওভুক্ত বেতন-ভাতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না কেন, সে বিষয়ে তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অফিস আদেশে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।