ভোলায় গৃহবধূ মিতুর মৃত্যুকে ঘিরে অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান পুলিশ সুপারের
এমরানের পিতৃ পরিচয়ের বিষয়ে সুজনের সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার ॥
এমরান নামের এক শিশু বড় হবার পর মায়ের কাছ থেকে জানতে পারল সে (এমরান) যাকে বাবা বলে যানে তিনি তার প্রকৃত বাবা নন। তার প্রকৃত বাবা শফিউল্লাহ। মায়ের কাছ থেকে জেনেছেন এমরানের শিশু বয়সেই তার পিতা শফিউল্লাহর সাথে তার মা পারভীনের সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটে। এমরান বড় হয় পারভীনের দ্বিতীয় স্বামীর কাছে বড় হয়ে জানতে পারে যাকে তিনি বাবা বলেন সে তার প্রকৃত বাবা নন। প্রকৃত বাবা ভোলা পৌর নবীপুরের শফিউল্লাহ। ইমরান শফিউল্লাহর কাছে গেলে শফিউল্লাহ তাকে অস্বীকার করেন এবং এমরানকে তাড়িয়ে দেন। এমরান তার বাবার অত্মিয়-স্বজদের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন তার মা পারভীনের বক্তব্য সঠিক। অবশেষে এমরান লিগ্যাল এইডে সরনাপন্ন হলে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে কথিত বাবা ও পুত্রের ডিএনএ টেস্ট করানো হয়। তাতে প্রমানিত হয় যে, শফিউল্লাহ ও ইমরান পিতা ও পুত্র। কিন্তু শফিউল্লাহ ডিএনএ টেস্ট মানতে রাজী নন। তার বক্তব্য ডিএনএ টেস্ট পয়সায় বেচা-বিক্রি হয়।
সুজন মনে করে ডিএন এ এর এ প্রতিষ্ঠানটিকে অবশ্যই শতভাগ কুলশুমক্ত রাখতে হবে। এবং সুজন মনে করে এটি কুলশমুক্তই রয়েছে। কিন্তু যেহেতু প্রশ্ন উঠেছে কখন প্রশাসন বা সরকারকেই বলতে হবে এ প্রতিষ্ঠানটি কি অবস্থায় রয়েছে। যদি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো এটিও ঘুষ দূর্নিতিতে আক্রান্ত হয়ে থাকে। তাকে দেশবাসীর আস্তার জায়গায় ফিরিয়ে আনতে হবে। আর যদি প্রতিষ্ঠানটি জনগনের আস্তার জায়গায় থেকেই থাকে তবে ডিএনএ টেস্টর সঠিকতা নিয়ে যিনি মিথ্যা কথা বলছেন তাকে দৃষ্টান্ত মূলক শান্তির আওতায় আনত হবে। পক্ষান্তরে শফিউল্লাহর বক্ত সত্য হলে ডিএনএ টেস্টের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের দৃষ্টান্তমূলক শান্তির ব্যবস্থা করতে হবে। তাই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সরকারের প্রতি আমাদের আবেদন এমরানের প্রকৃত পিতৃপরিচয় সনাক্ত করা, এমরানের প্রতি পিতার দায়িত্বহীনতার শাস্তি ও এমরানের অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রশাসন তথা সরকারকেই গুরুত্ব দিয়ে সঠিক ভাবে ব্যবস্থা নিবে এমনটাই আশা করছে ভোলা সুজন। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন সুজনের সভাপতি মোবাশ্বির উল্যাহ চৌধুরী।
