ভোলার রাজাপুরের শ্যামপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোরপূর্বক ঘর উত্তোলন

ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের শ্যামপুরা চর নামক এলাকায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাজাপুর ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত হাবিবুর রহমান এর ছেলে আবুল কালাম (৪১) এর দীর্ঘ ৪২ বছর পূর্বের ভোগ দখলীয় ৭ একর ৮ শতাংশ জমিতে জোরপূর্বক ঘর উত্তলন করেছেন একই এলাকার মৃত মজিদ আলি দেওয়ানের ছেলে সফিকুল ইসলাম দেওয়ান। অভিযোগ করেছেন জমির ক্রয় সুত্রের মালিক আবুল কালাম। অপরদিকে বিষয়টি অস্বীকার করে বিবাদি সফিকুল ইসলাম বলেন আমার জমিতে আমি ঘর তুলেছি।
গত ১৪/০৩/২১ ইং তারিখে এক অভিযোগে জমির ক্রয সুত্রের মালিক আবুল কালাম বলেন, আমি আমার বাপ দাদার আমল থেকে দীর্ঘ ৪২ বছর ধরে ৭ একর ৮শতাংশ জমি ক্রয় সুত্রে মালিক যার খতিয়ান নাম্বার ১২৩/১৩৭ এসএ ৭৯/৮০ ভোগ দখল সুত্রে জমিটি আমরা ভোগ করে আসছি। কিন্তু দুঃখজনক আমার ওয়ার্ডে আমার বিপক্ষ দল হঠাৎ করে কথা বার্তা না বলে ভুয়া একটি কাগজ বানিয়ে আমার ৫ একর ৭ শতাংশ জমি দাবি করে এবং আমাদেরকে স্থানীয় ইউপি সদস্যর যোগ সাজসে লাঠিয়ালি বাহিনী দ্বারা মাইর পিট করে জমিটি দখল করতে আসে।
এ বিষয়ে কথা বলতে ইউপি সদস্যর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি প্রতিবেদককে জানান, ভাই কি আর বলবো দুঃখের বিষয় অনেক ইতিহাস আছে সাক্ষাৎতে কথা বলবো সময় করে। আবুল কালাম জানান, আমরা ক্রয়কৃত দখল সুত্রে জমির মালিক হওয়ায় তখন আদালত করি। জমি সক্রান্ত সাব জজ আদালতে মামলা চলমান আছে যাহার মামলা নাম্বার ৭/২০০৬, মিস কেইস ৯২—২০/২১ সাল। এমপি মামলা ১৪৪/৪৫ নিষেধাজ্ঞা।
এরই ধারাবাহিকতায় আদালত তখন জান মানমাল রক্ষায় আমাদের উভয়ের মধ্যে শান্তি শৃঙ্খলা বজাইয়া রাখতে জমিতে সর্ব কাজ বন্ধ ঘোষনা করেন। পরবর্তিতে আমাদের উভয়ের ভিতরের শান্তি শৃঙ্খলা পিরিয়ে আনতে এবং যার যার জমি তার তারে কাগজের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিতে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা আমাদের একটি রয়দার নামা করে বিচার করেন।
সেই বিচারে আমরা উপযুক্ত বিচার না পাওয়ায় আমরা ভোলা থানায় একটি অভিযোগ করি। অভিযোগের ভিত্তিত্বে ভোলা সদর থানার এসআই সোহাগ থানায় বসার কথা বললে আমরা থানায আসলে ও বিবাদি সফিকুল ইসলাম দেওয়ান গংরা না আসায় বিচারটি করতে থানার কতব্যরত এসআই অপরগতা স্বীকার করে বলেন, এখন আর আমার কিছু করার নাই। বিবাদি না আসলে আমার কি করার আছে বলেন।
আবুল কালাম আরো জানান, এই জমি নিয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলে ও একের পর এক হামলা মামলার স্বীকার হয়েছি বিবাদি সফিকুল ইসলাম দেওয়ান গংদের কাছে।
ভোলা সদর মডেল থানার এসআই সোহাগ জানান, অভিযোগকারি প্রথমদিন আসেনি বিবাদি পক্ষ আসলে ও পরের তারিখে বাদি পক্ষ আসলে ও বিবাদি পক্ষ আসেনী। পরবর্তিতে তারিখ নির্ধারন করে উভয়কে বিচারে বসানোর ব্যবস্থা নিবো।
বাদি আবুল কালাম বলেন আমি নিরুপায় হয়ে গণমাধ্যম অফিসে এসে হাজির হয়েছি। যেহেতু আমার ক্রযকৃত দীর্ঘ ৪২ বছরের ভোগদখলীয় জমিটি উদ্বার পেতে পারি তাই ভোলা সদর আসনের এমপি ও ভোলার অভিভাবক জননেতা তোফায়েল আহমেদসহ জেলা প্রশাসন ও জেলা এবং উপজেলা আ’লীগের নেতাদের কাছে সুষ্ঠ বিচার ও সমাধার মাধ্যমে আমার জমিটি বুজ পেতে পারি তাহার একটি বিহিত ব্যবস্থা করবেন বলে অনুরোধ জানাচ্ছি।
