সড়কে আজ নারীদের জন্য নামছে ‘গোলাপি বাস’, চালক-কন্ডাক্টরও নারী
লালমোহনে আসামির ধাওয়ায় এলাকা ছাড়লেন মামলার সাক্ষী মামুন মাতাব্বর

ভোলার লালমোহনে আসামীর ধাওয়া খেয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বাঁচলেন মামলার সাক্ষী মামুন মাতাব্বর। ঘটনাটি ঘটেছে লালমোহন উপজেলার চরউমেদ ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের পাঙাসিয়া গ্রামে। মামুন মাতাব্বর ওই এলাকার মোস্তফা মাতাব্বর পুত্র।
ভিক্টিম ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, মোস্তফা মাতাব্বরের দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ভোগদখলীয় জমি ও বাজারের ঘর ভিটি নিয়ে সোহাগ মাতাব্বর গংদের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। সম্প্রতি সোহাগ মাতাব্বর জোরপূর্বক তাঁর গজারিয়া বাজারের ঘর ভিটি দখল করে নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মিমাংসা করতে না পেরে তিনি ভোলার আদালতে ঘরভিটি উদ্ধার করার জন্য সোহাগ মাতাব্বর গংদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলা নং এমপি- ৬২/২০,ওই মামলার ১ নং আসামি হলেন সোহাগ মাতাব্বর, সাক্ষী হয়েছেন মামুন মাতাব্বরসহ ৩৪ জন।
গত শুক্রবার ১০ জুলাই রাত আনুমানিক ১০ ঘটিকার সময়, ছেলের অসুস্থতার খবর শুনে মামুন মাতাব্বর বাড়িতে আসেন। তাকে নিজ বাড়ির দরজার চৌরাস্তা মোড়ে আলাউদ্দিনের সারের দোকানের সামনে পেয়ে পেছনে ওৎ পেতে থাকা সোহাগ মাতাব্বর ও সবুজ মাতাব্বর তাকে ধর-ধর বলে ধাওয়া করেন। তিনি প্রাণভয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে স্থানীয়ভাবে কয়েকজনকে জানান। সোহাগ মাতাব্বর গংদের হামলার ভয়ে গত ছয় মাস তিনি এলাকায় আসতে পারেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দেয়ার জন্য স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের প্রতি তিনি অনুরোধ জানিয়েছেন।
সোহাগ মাতাব্বরকে ফোন করে সাংবাদিক পরিচয়ে ঘটনাটি জানতে চাইলে তিনি প্রথমে ফোন কেটে দেন,পূনরায় তাকে ফোন করলে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন,তাকে হয়রানির উদ্দেশ্য এসব অভিযোগ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
