সর্বশেষঃ

ভোলায় ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক এমপিসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

অনলাইন ডেক্স

ভোলার লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলায় টিআর, কাবিখা ও কাবিটা কর্মসূচির ১৫টি প্রকল্পে কাজ না করে এবং কম কাজ করে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা উত্তোলন ও আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরীসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এ তথ্য জানান।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, বরিশাল (ভোলা জেলা) সূত্রে জানা যায়, ২০২১-২২, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলায় টিআর, কাবিখা ও কাবিটা কর্মসূচির আওতায় মোট ৩৫৬টি প্রকল্প নেওয়া হয়।

এর মধ্যে তজুমদ্দিনের ১১টি প্রকল্পে কোনো কাজ না করেই ৩১ লাখ ৭২ হাজার ৩৩৩ টাকা উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া যায়। এছাড়া লালমোহনের চারটি প্রকল্পে নির্ধারিত কাজের তুলনায় কম কাজ করে ৩ লাখ ৩১ হাজার টাকা উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে।

দুদকের হিসাবে, এসব প্রকল্পে অনিয়মের মাধ্যমে মোট ৩৫ লাখ ৩ হাজার ৩৩৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৪ জুলাই দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়।

চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী, লালমোহনের উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহাগ ঘোষ, তজুমদ্দিনের উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সেলিম মিয়া এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের সভাপতিরা। সব মিলিয়ে আসামির সংখ্যা ১৮ জন।

দুদকের তদন্তে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতারণা ও অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাত করেছেন। তদন্তে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

তবে চার্জশিটে অভিযোগ আনা মানেই আসামিদের অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়। আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরই তাদের দায় নির্ধারিত হবে।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।