সর্বশেষঃ

চর কুকরি-মুকরিতে পাওনা টাকা চাওয়ায় যুবককে মারধরের অভিযোগ

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার চর কুকরি-মুকরি ইউনিয়নে বাগদা মাছ বিক্রির পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে ফারুক নামে এক অসহায় যুবককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি মাথা ও হাতে আঘাত পেয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজও রয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফারুক জীবিকা নির্বাহের জন্য বাগদা মাছ ধরে তা স্থানীয়ভাবে বিক্রি করেন। মাছ বিক্রির টাকা বাবদ মাহাবুব বক্সের কাছে তার প্রায় ২০০ টাকা পাওনা ছিল বলে অভিযোগ। ওই পাওনা টাকা চাইতে গেলে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে মাহাবুব বক্সের ছেলে আব্বাস বক্স ও মঞ্জু বক্সসহ কয়েকজন তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, মারধরের একপর্যায়ে ফারুককে রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়। এতে তার মাথা ও হাতে আঘাত লাগে। মাথায় আঘাত পাওয়ার পর মুখ দিয়ে রক্ত পড়েছে বলেও স্থানীয়রা জানান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন বলে জানা গেছে।

ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ স্থানীয়দের কাছে রয়েছে। ভিডিওতে ঘটনার কিছু অংশ দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ভিডিওটির পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট ও ঘটনার আগে-পরে কী ঘটেছিল, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির নেতারাও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। চর কুকরি-মুকরি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, মাহাবুব বক্সের গ্রুপের কারণে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাদের আচরণ নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস বলেন, অসহায় মানুষের ওপর জুলুম-অত্যাচার কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

স্থানীয়দের ভাষ্য, একজন অসহায় যুবক তার শ্রমের পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছেন—এ ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা বিষয়টি তদন্ত করে ফারুকের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তবে মাহাবুব বক্স, আব্বাস বক্স ও মঞ্জু বক্সের বক্তব্য এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

 

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।