২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি, দুপুরের মধ্যে হালকা বর্ষণের পূর্বাভাস
বাংলাদেশের মানুষের চোখে এমএ করিম ইবনে মচ্ছব্বির ছিলেন নজরকাড়া মানুষ

স্টাফ রিপোর্টার ॥
লাভা থেকে উঠে আসা এক ভাগ্যবান মানুষ, যিনি যেকোনো সময় হতে পারেন বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী। ক্যামেরার আড়ালে থাকা মাওলানা এম. এ. করিম ইবনে মছব্বির কে-এমন প্রশ্নের উত্তর হয়তো অনেকেরই জানা নেই। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের একজন পরিচিত ও নজরকাড়া ব্যক্তিত্ব। রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আস্থাভাজন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
একজন কলামিস্ট হিসেবেও মাওলানা এম. এ. করিম ইবনে মছব্বির ছিলেন ফ্যাসিবাদবিরোধী লেখক। তাঁর লেখালেখির কারণে তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকারের সময় তিনি কারাবরণ করেন বলে তাঁর অনুসারীদের দাবি। তাঁর কলাম প্রকাশের কারণে দৈনিক আমার দেশ ও দৈনিক সংগ্রামের প্রকাশনা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলেও তাঁর ঘনিষ্ঠরা উল্লেখ করেন।
পরবর্তীতে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও নিখোঁজ নেতা এম. ইলিয়াস আলীকে গুমের কিছুদিন আগে তাঁর মোবাইল ফোনে একটি বার্তা আসে বলে জানা যায়। ওই বার্তায় এম. ইলিয়াস আলী এবং মাওলানা এম. এ. করিম ইবনে মছব্বিরকে গুম করা হতে পারে-এমন আশঙ্কার কথা উল্লেখ ছিল বলে দাবি করা হয়। এম. ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হওয়ার পর ২০১২ সালের ২৮ এপ্রিল দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রথম পাতায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এ বিষয়ে তথ্য উঠে আসে বলে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে তৎকালীন সরকারের সময়ে মাওলানা এম. এ. করিম ইবনে মছব্বির এবং হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর ঘনিষ্ঠ মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরীসহ বিভিন্ন নেতাকে কারাবরণ করতে হয় বলে দাবি করা হয়। কারাবাস শেষে মাওলানা এম. এ. করিম ইবনে মছব্বির প্রবাসে নির্বাসনে চলে যান।

বর্তমানে বাংলাদেশের আপামর জনগণের একটি বড় অংশের দাবি-দক্ষ, সৎ, ত্যাগী ও দেশপ্রেমিক এই মানুষটিকে বাংলাদেশ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে, এমনকি মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হোক। বাংলাদেশে মাওলানা এম. এ. করিম ইবনে মছব্বিরের মতো একজন দেশপ্রেমিক ও অভিজ্ঞ জননেতার প্রয়োজন রয়েছে-এমনটাই মনে করেন তাঁর সমর্থকেরা।
