পার্থকে নিয়ে গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যের প্রতিবাদে ভোলায় বিজেপির বিক্ষোভ সমাবেশ
ভোলায় রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন

আনোয়ার পারভেজ ॥
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ভোলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হয়েছে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী ১৪৩৩। এ উপলক্ষে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) বিকেল ৩টায় ভোলা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাদের সাহিত্য, সংগীত, দর্শন ও জীবনাদর্শ আজও বাঙালি জাতির অনুপ্রেরণার উৎস। নতুন প্রজন্মকে তাদের সৃষ্টিকর্মের সঙ্গে পরিচিত করতে পারলে মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান সময়ে তরুণদের সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহী করে তুলতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। রবীন্দ্রনাথের মানবতার বাণী এবং নজরুলের সাম্য, দ্রোহ ও দেশপ্রেমের চেতনা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় বক্তারা রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের সাহিত্য, সংগীত, দর্শন এবং বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিতে তাদের অসামান্য অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। আলোচনা পর্ব শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশনার মাধ্যমে দুই মহাকবির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

পরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। প্রাণবন্ত এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার গুরুত্ব নতুন করে তুলে ধরা হয় এবং নতুন প্রজন্মকে সৃজনশীল ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানানো হয়।
