ডা. মুন্নির কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ

স্টাফ রিপোর্টার ॥
অঝোরে কাঁদলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের একমাত্র মেয়ে ডা. তাছলিমা আহমেদ জামান মুন্নি। স্বজনদের জড়িয়ে ধরে তাঁর এ কান্না যেন হেলিপ্যাড মাঠের শোকাবহ পরিবেশকে আরও ভারী করে তোলে। বাবাকে হারানোর গভীর শোকে তিনি বারবার ভেঙে পড়েন। ডা. মুন্নির কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ, তার আহাজারিতে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন উপস্থিত হাজারো মানুষ।
তোফায়েল আহমেদের মরদেহবাহী কফিন হেলিপ্যাড মাঠে পৌঁছানোর পরই এমন হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। হেলিকপ্টার থেকে কফিন নামানোর সময় ডা. মুন্নি স্বজনদের জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাঁর আহাজারিতে উপস্থিত মানুষের চোখও অশ্রুসজল হয়ে ওঠে। মুহূর্তেই শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়ে পুরো এলাকা।
প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো একনজর দেখতে চারদিক থেকে মানুষের ঢল নামে। অনেককে দেখা গেছে মুখ ঢেকে কাঁদতে, কেউ আবার বারবার চোখের জল মুছতে। এটি ছিল ভোলাবাসীর জন্য এক হৃদয় বিদারক মুহূর্ত। দীর্ঘদিনের একজন অভিভাবকসুলভ নেতাকে হারিয়ে যেন শূন্যতায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছেন তাঁরা। শেষ বিকেলে নিজ গ্রামের বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হন তোফায়েল আহমেদ। এর আগে তাঁর গ্রামের বাড়িতে অনুষ্ঠিত নামাজে জানাজায় অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অসংখ্য মানুষ। তাঁকে শেষ বিদায় জানাতে সেখানে মানুষের ঢল নামে।
