ভোলার চরগাজীপুরের চাষকৃত ফসল ও চর দখলে অপচেষ্টায় ভুমিদস্যু দুর্বৃত্তরা

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ভোলা সদরের মেঘনা নদীর মাঝে জেগে উঠা দক্ষিণ গাজিপুর ও চরগাজিপুর বর্তমানে ভুমিহীন জমির মালিকদের বেচে থাকার নতুন স্বপ্ন দেখাছে। গাজিপুর চরের প্রকৃত জমির মালিকগন নিজ নিজ জমিতে রবিশস্য ও বোরো ধান আবাদ করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করছে। বিগত কয়েক বছর উক্ত জমিতে চাষাবাদ করে আসছে। বর্তমানে নাম মাত্র কিছু জমির মালিক পুরো চরকে নিজেদের কব্জায় নিয়ে সাধারণ জমির মালিকদের চর থেকে উৎখাত করার জন্য বিভিন্ন চক্রান্ত করছে। এদের সাথে যোগ দিয়েছে মহিষ মালিকগন। চরের চাষাবাদকৃত জমির ফসল নষ্ট করে মহিষ দিয়ে খাওবে, চরের জমির মালিকদের নির্মাণ ঘর দখল করে খারাপ প্রকৃতি মহিলা রেখে জমির মালিকদের নামে মিথ্যা মামলা দিবে বলে হুমকি দিচ্ছে।
চরমালিক সমিতি চেয়ারম্যান ও প্রধান উপদেষ্টা এবং প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব আবদুর রব মাষ্টার বলেন, আমাদের জমির মালিকগন আজ কয়েকবছর ধরে চরে জমিতে চাষাবাদ করে আসছি। এখন নাম মাত্র কিছু জমির মালিকদের ওয়ারিশগন যাদের জমি মেঘনা নদীর মাঝে নিমজ্জিত তারা কিছু ভুমিদস্যু ও মহিষ মালিকদের নিয়ে চাষাবাদ বাধাগ্রস্ত করছে এবং চরের ঘরদখল ও জমি দখল করার জন্য উঠে পরে লাগছে। তাই সাধারণ জমির মালিকদের এসব দুর্বৃত্তদের হাত থেকে গাজিপুর চরের মালিকদের ফসল রক্ষা করা ও এদের চক্রান্তের হাত থেকে জানমাল রক্ষা করার জন্য ভোলা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা চেয়ারম্যান এর সুদৃষ্টি কামনা করছেন।
গাজিপুর চর মালিক পরিষদের প্রধান সমন্বয়কারী মোঃ সিরাজ উদ্দিন মাল বলেন, বর্তমানে গাজিপুর চরের কিছু জমির মালিকদের ওয়ারিশ যাদের জমি এখন নদীর মধ্যে তারা কিছু প্রভাবশালীদের আশ্রিত হয়ে চর দখল করার পায়তারা করছে। হয়তো যে কোন সময় চরে সংঘাত হতে পারে। তাই ২নং ইলিশা ইউনিয়নের অন্তর্গত গাজিপুর চরের শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা ও দুর্বৃত্তের হাতে থেকে সাধারণ জমির মালিকদের ফসল রক্ষার করার জন্য ভোলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
চরমালিক পরিষদের সভাপতি বাহার মাষ্টার বলেন, চরের জমির দলিল খতিয়ান মোতাবেক যাদের জমি উপরে চাষাবাদ যোগ্য তারা ভোগ দখলে থাকবে। আর যাদের জমি নিচে নদীর ভিতরে আছে তারা জোড় করে অন্যর জমি দখল করার যে পায়তারা করছে তা উচিৎ নয়।
সাধারণ জমির মালিকদের হুমকি দিয়ে চর দখল করার চক্রান্তের হাত থেকে রক্ষা জমির ফসল রক্ষা করতে ২নং ইলিশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভোলা সদর প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
