সর্বশেষঃ

ভোলায় মামলা উত্তলনকে কেন্দ্র করে শিশু হাফেজ আব্দুল্লাহ কে কুপিয়ে জখম

ওমর ফারুক/এম রহমান রুবেল।। ভোলায় দীর্ঘদিনের জমি জমার মামলা উত্তলনকে কেন্দ্র করে শিশু হাফেজ আব্দুল্লাহ (০৮) কে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসী অজিত ও শাজাহানগংরা।

এ ঘটনায় পুলিশ ভোলা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে প্রকাশ্যে অন্তিম শয্যা ছোট ভাইর পাশ থেকে ইর্মাজেন্সির রুম থেকে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় করতে আহত আব্দুল্লাহ’র বড় ভাই সোহাগ (১২) কে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে পরিবার ও প্রতক্ষ্যদর্শীদের কাছ থেকে।

রোববার (০৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজাপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের চর মনোষা গ্রামের বারেক হাওলাদার বাড়ির সামনে এঘটনা ঘটে।

জানা যায়, জমি জমার মামলা প্রত্যাহার না করায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সন্ত্রাসী শাহাজানের নেতৃত্বে ভিকটিম আব্দুল্যাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে রশিদ হাওলাদার এর ছেলে অজিত ও শাহাজানের ছেলে রিপন, রুবেল, রশিদ এর ছেলে হাসেম, আরকাম, দুলাল গংরা।

মৃত রহিমের পরিবারকে মামলা তুলে নিতে দীর্ঘ দিন ধরে চাপ দিয়ে আসছে আসামী পক্ষের লোকজন। ঘটনার দিন সকালে ওই সন্ত্রাসীরা মামলা তুলে না নিলে রহিমের দুই ছেলে আব্দুল্যা ও সোহাগকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়।

হাফেজ আব্দুল্লাহ মাদ্রাসার পড়া শেষ করে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরছিলো। বারেক হাওলাদার বাড়ির সামনের কালভার্টের কাছে আসতেই পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ওঁৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসী অজিত, শাজাহান, রিপন, রুবেল, হাশেম ও আকরাম তাকে ধারলো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকেন। এসময় তার চিৎকারে আসপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ব্যাপারে ভোলা মডেল থানার এস আই জসিম ও এ এস আই বাদল আহত আব্দুল্লাহ’র পাশে থাকা বড় ভাই সোহাগ (১২) কে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্ধী দিতে টানা হেচড়া করে গাড়িতে তুলে নেয়। এতে হাসপাতালে থাকা লোকজন প্রতিবাদ করে। এ তথ্য সংগ্রহ কালে এশিয়া টিভির ফটো সাংবাদিক আবুল হাসনাতের সাথে খারাপ আচরন করেন হাসপাতালে থাকা পুলিশ সদস্যরা।

এ বিষয়ে ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীন ফকির বলেন, ঘটনার তদন্ত শেষে মিডিয়াকে বিস্তারিত জানাবেন।

প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের জন্য জেলা পুলিশ সুপার মাহিদুজ্জামান বিপিএম এর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।