সর্বশেষঃ

ভোলায় মাদ্রাসা পড়ুয়া এক ছাত্রীর যৌন হয়রানীর বিচার চাইতে গিয়ে হাসপাতালে স্বজনরা 

ভোলা সদর উপজেলার ২নং ইলিশা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের কালু মিয়ার হাট সংলগ্ন সবুজ মাঝির ৮ম শ্রেণী পড়ুয়া মেয়ে কে দীর্ঘদিন ইভটিজিং করে আসছে স্থানীয় হক সাহেব মাঝির ছেলে ফরিদ ও হাকিম মাঝির ছেলে রুবেল।
দুই লম্পট ডিস্টার্ব করলেও পাত্তা দেইনি ওই মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রী, হঠাৎ গত সোমবার দুপুরে ওই স্কুল ছাত্রী কে ঘরে একা দেখে ফরিদ ঘরে প্রবেশ করে জোরপূর্বক ওই স্কুল ছাত্রীকে যৌন হয়রানী করেন, শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গায় পোশাক ছিড়ে যৌন হয়রানী করেন লম্পট ফরিদ আর ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে পাহারা দিয়েছেন তার সহযোগী রুবেল।
এ সময় ওই স্কুল ছাত্রীর ডাক চিৎকারে তার মাসহ প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে দৌড়ে পালিয়ে যায় দুই লম্পট।
ঘটনার পর ওই ছাত্রী অসুস্থ্য হয়ে পড়লে এ্যাম্বুলেন্সে ভোলা সদর হাসপাতালে এনে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয়।
এই ঘটনা এলাকায় জানাজানি হলে ওই ছাত্রীর পরিবার বিচার চাইলে,  কিছুক্ষণ পরেই হক সাহেব মাঝি ও হাকিম মাঝির ছেলেরা লাঠিসোঁটা নিয়ে এসে ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা, মা ও দাদি কে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে।
হক সাহেব মাঝি ও হাকিম মাঝি গ্রুপের হাত থেকে সবুজের পরিবার কে উদ্ধার করতে গিয়ে স্থানীয় ছিদ্দিক হাওলাদারের ছেলেসহ ৪/৫ জন আহত হয়েছে।
বর্তমানে ওই স্কুল ছাত্রীসহ তার পরিবার ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এই ঘটনায় অভিযুক্ত হক সাহেব মাঝির বাড়ীতে গিয়ে ও তাদের পাওয়া যাইনি।
এদিকে দিনমজুর সবুজের পরিবারের উপর হামলা এবং মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রীর যৌন হয়রানীর বিচার চেয়ে কালু মিয়ার হাট একটি প্রতিবাদ সভা করেছে এলাকাবাসী, তারা অতিদ্রুত তদন্তসাপেক্ষে অপরাধীর শাস্তি দাবী করেছে তবে এই ঘটনায় ভোলার বিজ্ঞ আদালতে মামলার প্রস্ততি চলছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।