
ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের দরিদ্র মিন্টু গোলদার (৬৩) থাকেন একটি কুঁড়েঘরে। করোনায় দরিদ্র মানুষের খোঁজ করে পশ্চিম ইলিশার বিচ্ছিন্ন এলাকা মুন্সির চরে ত্রাণ দিতে গিয়ে চোঁখে পড়ে মিন্টু গোলদারের জরাজীর্ণ একটি কুঁড়েঘর।
অসহায়দের পাশে পশ্চিম ইলিশার তরুণ যুবকরা তখনই উদ্যােগ নেন জরাজীর্ণ ঘর মেরামত করে হাসি ফুটাবেন গোলদার দম্পতির মুখে।
সালাউদ্দিন, নাজিমুদ্দিন, হান্নান, মিজানুর রহমানসহ একঝাঁক তরুণরা যোগাযোগ করেন পশ্চিম ইলিশার বিত্তবান মানুষদের সাথে, অবশেষে যুবকরাই সফল হলেন, হাসি ফুটালেন মিন্টু গোলদার দম্পতির মুখে।
রবিবার বিকালে সরজমিন গোলদার দম্পতির সেই নতুন ঘর দেখতে যান এই প্রতিবেদক, কথা হয় গোলদার দম্পতির সাথে। আবেগেআপ্লুত হয়ে মিন্টু গোলদার বলেন, আমার তিন মেয়ে কোন ছেলে সন্তান নাই, কোন রকম এই কুঁড়েঘরে থাকতাম, এলাকার মেম্বার চেয়ারম্যানরা একটি ঘর দিবে বলে আর দেইনি পরে এই এলাকার যুবকরা দিয়েছে।
নাজিমুদ্দিন নাজিম বলেন, আমাদের যুবকদের উদ্যােগ আর পশ্চিম ইলিশার বিভিন্ন বিত্তবান মানুষের সহযোগীতা আমরা সফল হতে পেরেছি।
উল্লেখ: অসহায়দের পাশে পশ্চিম ইলিশা সংগঠন উদ্যােগ নিয়ে মোট তিনটি ঘর নির্মাণ করেছেন।