সর্বশেষঃ

নিমের ঔষধি গুনাগুন

মোঃ মহিউদ্দিন
প্রভাষক
ভোলা ইসলামিয়া ইউনানী মেডিকেল কলেজ।

 

 

নিম ওষুধি গাছ যার ডাল,পাতা,ছাল
ফুল, মূল, সবই ঔষধী গুণে ভরপুর,
খুবই উপকারী হলেও এর সবই তেতো স্বাদের।
নিমপাতা সেদ্ধ জলে গোসল করলে
খোস পাঁচড়া চলে যায়,
এর পাতা বা ফুল বেটে গায়ে দিলে
চুলকানি ভালো হয়।
নিমের পাতা সরিষার তেলে ভেজে
গুঁড়ো করে গায়ে লাগালে চুলকানি ভালো হয়,
নিম পাতার সাথে কাঁচা হলুদ পিষে
ক্ষতে প্রলেপ দিলে ক্ষত দ্রুত সেরে যায়।
নিম পাতা ঘি এ ভেজে ক্ষত বা খোস-পাঁচড়ায়
লাগালে তা দ্রুত আরোগ্য হয়,
নিমের মূলের ছালে কৃমি থেকে মুক্তি মিলে,
তিন থেকে চার গ্রাম নিম চূর্ণ ছালে
সামান্য সন্দব লবন খালি পেটে
খেতে হবে গরম জলে।
বহু প্রাচীনকাল থেকেই রূপচর্চায়
নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে,
আশানুরূপ ফল পাচ্ছে।
নিম ব্রণ,ত্বকের দাগ দূর করে,
এটি ত্বকের ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে।
নিমের কচি ডাল দিয়ে দাঁত মাজলে
দাঁত ভালো থাকে,
নিম পাতার নির্যাস জলে মিশিয়ে
কুলকুচা করলে মুখ জীবাণুমুক্ত থাকে।
নিম ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে চমৎকার কাজ করে,
রক্তের সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে।
রক্তনালী প্রসারিত করে,
রক্তসংবহনতন্ত্র কে উন্নত করে,
যদি ভালো ফল পেতে চান,
সকালে খালি পেটে পাঁচটি গোলমরিচ দশটি
নিমপাতা বেটে বড়ি বানিয়ে খাবেন।
চুল উজ্জ্বল দৃষ্টিনন্দন খুশকিমুক্ত পেতে
নিমপাতার অপরিসীম অবদান,
নিমপাতা সিদ্ধ জল দিয়ে
চুল ম্যাসেজ করে ধুয়ে ফেলুন।
নিম পাতা পেস্ট করে মাথায় দিন,
উকুন মুক্ত থাকুন।
যদি আপনি দেহের ওজন কমাতে চান,
একমুঠো নিম ফুলের চূর্ণ এক চামচ মধু
আধা চামচ লেবুর রস সাথে ভালো করে
মিশিয়ে প্রতিদিন খালি পেটে করবেন পান।
রক্ত পরিষ্কার করে, ঠান্ডা,কাশি দূর করে
ভাইরাস রোধ করে, ছত্রাকের ইনফেকশন দূর করে,
এলার্জি দূর করে।

আরও পড়ুন

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।