সর্বশেষঃ

মনপুরায় ৭ লাখ টাকার কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস, ৪ জেলে আটক ও ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মেঘনা নদীতে মা ইলিশ শিকারের দায়ে ভোলার মনপুরায় দুটি মাছ ধরার ট্রলারসহ চার জেলেকে আটক করেছে উপজেলা মৎস্য অফিস ও কোস্টগার্ড। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটক প্রত্যেক জেলেকে ১৫ হাজার টাকা করে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ সময় জব্দ করা প্রায় ৭ লাখ টাকা মূল্যের ইলিশ ও নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। উদ্ধার করা ২০ কেজি মা ইলিশ ও জাটকা একটি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের তালতলা-সংলগ্ন মেঘনা নদীতে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

অভিযান শেষে রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাজিরহাট ল্যান্ডিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খান সালমান হাবিব। আদালত আটক চার জেলেকে প্রত্যেককে ১৫ হাজার টাকা করে মোট ৬০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। পরে জব্দ করা ইলিশ ও নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

জরিমানাপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন মনপুরা উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের চরফৈজুদ্দিন গ্রামের শাহিন (২১), ইউনুচ (৫৫) ও জাহাঙ্গীর মাঝি (৪৫)। অপর জেলে মো. ছালাউদ্দিন (৩৫) বোরহানউদ্দিন উপজেলার পক্ষীয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা।

উদ্ধার করা ২০ কেজি মা ইলিশ ও জাটকা উপজেলার হাজী ইব্রাহীম খলিল মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা কাজল রেখা জানান, মা ইলিশ রক্ষায় মৎস্য অফিস ও কোস্টগার্ডের যৌথ অভিযানে দুটি মাছ ধরার ট্রলারসহ চার জেলেকে আটক করা হয়েছে। এ সময় প্রায় ৭ লাখ টাকা মূল্যের নিষিদ্ধ কারেন্ট জালসহ ইলিশ জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা মাছ এতিমখানায় বিতরণ এবং নিষিদ্ধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খান সালমান হাবিব জানান, আটক চার জেলেকে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা মাছ মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করতে সরকার নির্ধারিত সময়ে নদীতে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন ও অবৈধ মাছ শিকার বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।