সর্বশেষঃ

জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষকের সম্মাননা পেলেন সাহিদা সুমনা

শিক্ষাক্ষেত্রে অনন্য অবদান ও দীর্ঘদিনের একাডেমিক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন ভোলা সদর উপজেলার নজরুল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাহিদা আক্তার সুমনা। সোমবার (৫ অক্টোবর) বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষকের সম্মাননা পদক, সনদপত্র ও দুই লাখ টাকার চেক গ্রহণ করেন।
সূত্রে জানা গেছে, সাহিদা আক্তার সুমনা দীর্ঘদিন ধরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকতার সাথে জড়িত। পাঠদানের পাশাপাশি তিনি শিক্ষার্থীদের পাঠকে সহজ ও সৃজনশীল পদ্ধতিতে উপস্থাপন এবং তাদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। জাতীয় পর্যায়ের এই স্বীকৃতি সাহিদা আক্তার সুমনা ও তার প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে পাওয়া এই সম্মাননা ভোলার পুরো প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গৌরবের।

এক প্রতিক্রিয়ায় ৩৯নং নজরুল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাহিদা আক্তার সুমনা বলেন, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের এই স্বীকৃতি একজন শিক্ষকের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের। এই সম্মাননা আমার দায়িত্ববোধ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতে আরও নিষ্ঠা ও সততার সাথে শিক্ষাসেবা দিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই প্রাপ্তি আমাকে অনুপ্রেরণা জোগাবে।
উল্লেখ্য, এর আগে সাহিদা আক্তার সুমনা ২০১৭ সালে ভোলা জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে সরকারিভাবে গণচীন সফর করেন। তাঁর নেতৃত্বে ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬ সালে ৩৯নং নজরুল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচিত হয়। তিনি ভোলা প্রেসক্লাব সভাপতি এডভোকেট নজরুল হক অনুর সহধর্মিণী।

এছাড়া সুমনা সাহিদা সাংবাদিকতায়ও অনবদ্য ভূমিকা রাখেন। ২০০০ সালে তিনি নারী সাংবাদিক হিসাবে ম্যাস লাইন মিডিয়া সেন্টার এম.এম.সির প্রাকৃতজন পুরস্কার লাভ করেন। পরবর্তীতে এম.এম.সির প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে বরিশাল ও খুলনা বিভাগের সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।