সর্বশেষঃ

কুকরী-মুকরী ঘাটে নামতেই কাদা, দুর্ভোগে পর্যটক-স্থানীয়রা

ভোলার চরফ্যাশনের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র চর কুকরী-মুকরী। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিনই প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে এখানে ছুটে আসেন পর্যটকরা। তবে পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ পথ চর কচ্ছপিয়া থেকে কুকরী-মুকরী লঞ্চঘাটের প্রায় ৬০০ ফুট সড়কের বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগে পড়ছেন পর্যটক ও স্থানীয়রা।

সরেজমিনে দেখা যায়, সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটির অধিকাংশ অংশ কাদা ও পানিতে একাকার হয়ে যায়। পিচ্ছিল কাদায় স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করাও কঠিন হয়ে পড়ে। লঞ্চ থেকে নামার পর নারী, পুরুষ ও শিশুসহ অনেক পর্যটককে জুতা-স্যান্ডেল হাতে নিয়ে কাদার মধ্য দিয়ে হাঁটতে দেখা যায়। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ পথচারীদেরও প্রতিদিন একই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

শুধু পথচারী নয়, মালামাল পরিবহনে ব্যবহৃত বোরাক চালকরাও পড়ছেন বিপাকে। কাদায় চাকা আটকে যাওয়ায় অনেক সময় বোরাক ঠেলে নিতে হচ্ছে। এতে সময় ও শ্রম দুটোই বাড়ছে।

স্থানীয়রা জানান, চর কুকরী-মুকরী দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক পর্যটনকেন্দ্র। এখানকার সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পর্যটকরা আসেন। কিন্তু লঞ্চ থেকে নামার পরই সড়কের এমন বেহাল অবস্থা পর্যটকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করছে।

এক পর্যটক বলেন, ‘অনেক দূর থেকে কুকরী-মুকরীর সৌন্দর্য দেখতে এসেছি। কিন্তু লঞ্চ থেকে নামার পরই কাদার মধ্যে হাঁটতে হচ্ছে। এতে ঘুরতে আসার আনন্দটাই অনেকটা মাটি হয়ে যায়।’

অন্য এক পথচারী বলেন, ‘সড়কটি খুব বেশি বড় নয়। মাত্র কয়েকশ ফুট রাস্তা দ্রুত সংস্কার করা হলে পর্যটকসহ স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানাই।’

স্থানীয়দের দাবি, কুকরী-মুকরীর পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে শুধু পর্যটন স্পটের সৌন্দর্যবর্ধন করলেই হবে না; লঞ্চঘাটের প্রবেশপথসহ গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ সড়কগুলোরও উন্নয়ন করতে হবে। পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত ও স্থানীয়দের দুর্ভোগ কমাতে চর কচ্ছপিয়া-কুকরী-মুকরী লঞ্চঘাটের প্রায় ৬০০ ফুট সড়কটি দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।