এসএসসি ফলাফলে লালমোহনে শীর্ষে হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
মনপুরার ৮ বিদ্যালয়ে ৪০৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস ২২৪, ফেল ১৮০

আবদুর রহমান সোয়েব, মনপুরা
ভোলার মনপুরা উপজেলার আটটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষার ফলাফলে পাস করেছে ২২৪ জন শিক্ষার্থী। বিপরীতে ফেল করেছে ১৮০ জন। মোট ৪০৪ জন পরীক্ষার্থীর হিসাবে উপজেলার আট বিদ্যালয়ে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ।
বিদ্যালয়ভিত্তিক ফলাফলে পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে আন্দিরপাড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয়ের ৪০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩১ জন পাস করেছে। পাসের হার ৭৭ দশমিক ৫ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মনপুরা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ২৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২০ জন পাস করায় বিদ্যালয়টির পাসের হার ৭১ দশমিক ৪ শতাংশ।
এদিকে পাসের হারে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে সাকুচিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টির ৪৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৮ জন এবং ফেল করেছে ৩১ জন। পাসের হার ৩৬ দশমিক ৭ শতাংশ।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, হাজীরহাট মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৮ জন পাস ও ৫৫ জন ফেল করেছে। পাসের হার প্রায় ৪৬ দশমিক ৬ শতাংশ।
চরফৈজুদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪৩ জনের মধ্যে ২১ জন পাস করেছে। ফেল করেছে ২২ জন। বিদ্যালয়টির পাসের হার প্রায় ৪৮ দশমিক ৮ শতাংশ।
মনপুরা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২৮ জনের মধ্যে ২০ জন পাস ও ৮ জন ফেল করেছে। পাসের হার ৭১ দশমিক ৪ শতাংশ।
আন্দিরপাড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪০ জনের মধ্যে ৩১ জন পাস ও ৯ জন ফেল করেছে। পাসের হার ৭৭ দশমিক ৫ শতাংশ।
সামেদপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৩৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২০ জন পাস এবং ১৫ জন ফেল করেছে। পাসের হার প্রায় ৫৭ দশমিক ১ শতাংশ।
মনপুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৬৭ জনের মধ্যে ৪৩ জন পাস ও ২৪ জন ফেল করেছে। পাসের হার প্রায় ৬৪ দশমিক ২ শতাংশ।
সাকুচিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪৯ জনের মধ্যে ১৮ জন পাস এবং ৩১ জন ফেল করেছে। পাসের হার ৩৬ দশমিক ৭ শতাংশ।
উত্তর সাকুচিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৩ জন পাস ও ১৬ জন ফেল করেছে। পাসের হার প্রায় ৫৯ শতাংশ।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, মনপুরার আটটি বিদ্যালয়ের মধ্যে পাসের হারে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বিদ্যালয়ের ব্যবধান ৪০ দশমিক ৮ শতাংশীয় পয়েন্ট। অর্থাৎ একই উপজেলার বিদ্যালয়গুলোর ফলাফলে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে।
সামগ্রিক ফলাফলে ৪০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২৪ জনের পাস এবং ১৮০ জনের অকৃতকার্য হওয়ার তথ্য শিক্ষার্থীদের ফলাফলের পাশাপাশি বিদ্যালয়ভিত্তিক শিক্ষার মান, নিয়মিত পাঠদান ও পরীক্ষার প্রস্তুতির বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে।
