লালমোহনে বদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন
ভোলায় ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার ॥
ভোলার সদর উপজেলার শান্তিরহাট এলাকায় ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ প্রযুক্তির প্রসার ও মৎস্যচাষীদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৭ মে) বিশ্ব ব্যাংক ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)–এর আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা (জিজেইউএস) বাস্তবায়িত স্মার্ট ফিসারিজ প্রকল্পের আওতায় এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জিজেইউএসের উপ-পরিচালক ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক গোপাল চন্দ্র শীল। এ সময় বক্তব্য দেন প্রকল্পের টেকনিক্যাল অফিসার মো. তাজুল ইসলাম ও পরিবেশ কর্মকর্তা মো. মোরসালিন। মাঠ দিবসে স্থানীয় মৎস্যচাষী, কৃষক ও জনপ্রতিনিধিরা অংশ নেন।
মাঠ দিবসে অংশগ্রহণকারীদের ভাসমান খাঁচার কাঠামো নির্মাণ, উন্নতমানের মাছের পোনা নির্বাচন, খাদ্য ব্যবস্থাপনা, রোগ প্রতিরোধ ও বাজারজাতকরণ বিষয়ে হাতে-কলমে নির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি সফল মৎস্যচাষীদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগও তৈরি করা হয়, যা অংশগ্রহণকারীদের বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে টেকনিক্যাল অফিসার মো. তাজুল ইসলাম ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষের গুরুত্ব, সম্ভাবনা ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, উন্মুক্ত জলাশয়কে কাজে লাগিয়ে কম খরচে অধিক মাছ উৎপাদনের জন্য এ প্রযুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
পরিবেশ কর্মকর্তা মো. মোরসালিন বলেন, নদী, খাল ও বিলসহ বিভিন্ন উন্মুক্ত জলাশয় ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব উপায়ে মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি সম্ভব। তিনি ভাসমান খাঁচা পদ্ধতিকে টেকসই মৎস্য উৎপাদনের একটি সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গোপাল চন্দ্র শীল বলেন, ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে দেশের মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব। তিনি এ প্রযুক্তির সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
শেষে অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মাঠভিত্তিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
