তজুমদ্দিনে মৎস্য অভিযানে ২১জেলে আটক

ভোলার তজুমদ্দিনে মৎস্যসম্পদ রক্ষায় ২২দিনের নিষেধাজ্ঞায় পরিচালিত অভিযানে ২১ জেলেকে আটক, ৩টি নৌকা ও জাল আটক করা হয়েছে । আটক জাল আগুনে পুড়ে ধ্বংস করা হয়। নৌকা মৎস্য অফিসের হেফাজতে রয়েছে।
উপজেলা মৎস্য অফিস সুত্রে জানা গেছে, রোববার (২৫ অক্টোবর) রাত সোয়া ১২টায় উপজেলার মহিষখালী মাছঘাট সংলগ্ন মেঘনায় তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ বনি আমিনের নেতৃত্বে মৎস্য প্রশাসনের একটি টিম অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় মাছ ধরা অবস্থায় ২১ জেলে, ৩টি মাছ ধরার ট্রলার ও জাল আটক করেন অভিযানিক দলটি। আটক জাল শশীগঞ্জ মৎস্যঘাটে আগুনে পুড়ে ধ্বংস করা হয়। আটক নৌকা মৎস্য অফিসের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিজ্ঞ নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট ও তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ বনি আমিন আটককৃতদের ১৮জনকে প্রত্যেককে ৭দিন করে বিনাশ্রম কারাদন্ডের রায় প্রদান করেন। বাকি ৩ জন অপ্রাপ্ত বয়সের হওয়ায় পরিবারের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেন।
সাঁজাপ্রাপ্তরা হলেন মো. শিপন (৩২), মো. সজিব (১৯), মো. কাশেম (৩৩), মো. ফয়সাল (২৫), মো. সোহাগ (২৫), নুর ইসলাম (২৫), আকবর (২০), মো. রাশেদ (২০), মনির (২৮), মো. আইয়ুব (২৮), ইব্রাহীম মাঝি (৫২), মো. রফিক (৪০), মো. শরীফ (২৮), মো. হাফিজ (৩৪), মো. মাকসুদ (৪৮), মো. শাহাদাত (২০), মো. ফারুক (৬৫) ও মো. কামাল (৬২)। আটক প্রত্যেক জেলের বাড়ি তজুমদ্দিন উপজেলায় বলে জানা গেছে।
জানতে চাইলে তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমান আদালতে বিজ্ঞ নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বনি আমিন বলেন, মেঘনায় অভিযান অব্যাহত থাকবে। নিষেধাজ্ঞার ২২দিনে যে কেউ সরকারি আইন লঙ্গন করবে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া হবে না।
