সর্বশেষঃ

মনপুরায় মেঘনায় জাল পাতা নিয়ে চার ট্রলারের জেলেদের সংঘর্ষ, আহত ১০

মনপুরা  প্রতিনিধি:
ভোলার মনপুরায় মেঘনা নদীতে মাছ ধরার জাল পাতা নিয়ে চারটি মাছ ধরার ট্রলারের জেলেদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জেলে আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে পাঁচজনকে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অন্য আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের জংলারখাল সংলগ্ন পূর্ব পাশের মেঘনা নদীতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহত জেলেরা হলেন রসিদ মোল্লা, নাহিদ, দুলু কাজী ও ইদ্রিস আলী মাঝিসহ ১০ জন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের বাড়ি শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন গ্রামে। অন্য পাঁচজন ফারুক কোম্পানি ও হারুন সাঝির মৎস্য আড়তের ট্রলারের জেলে।

আহত জেলে ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জংলারখাল মৎস্য ঘাটের আড়তদার ওবায়দুলের আড়তে মাছ দেওয়া রসিদ মোল্লার ট্রলারটি জংলারখাল সংলগ্ন মেঘনায় মাছ ধরার জন্য জাল ফেলছিল। এ সময় ফারুক কোম্পানির মৎস্য আড়তের দুটি ট্রলার ও হারুন সাঝির আড়তের একটি ট্রলারের জেলেরা জাল ফেলতে বাধা দেন।

এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে গড়ায়। এতে রসিদ মোল্লার ট্রলারে থাকা পাঁচ জেলে এবং অপর তিন ট্রলারের পাঁচ জেলেসহ মোট ১০ জন আহত হন।

জংলারখাল মৎস্য ঘাটের আড়তদার ওবায়দুল বলেন, মেঘনায় জাল পাতা নিয়ে সংঘর্ষের সময় তাঁর আড়তে মাছ দেওয়া রসিদ মোল্লাসহ ট্রলারে থাকা পাঁচ জেলেকে মারধর করে আহত করা হয়েছে।

তবে ফারুক কোম্পানি ও হারুন সাঝি বলেন, মেঘনায় মাছ শিকারের সময় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১০ জেলে আহত হয়েছেন। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মৎস্য আড়তদাররা।

এ বিষয়ে মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।