ভোলার স্বাস্থ্যব্যবস্থার তদারকির দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথমবারের মতো পরিদর্শন করলেন উপ-সচিব মো. আবদুল খালেক

ভোলার স্বাস্থ্যব্যবস্থার তদারকির দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম বারের মত ভোলা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপ-সচিব জনাব মো. আবদুল খালেক। তাঁর এই পরিদর্শনকে ঘিরে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা, রোগীদের সুযোগ-সুবিধা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) তিনি ভোলা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম, রোগীদের সেবার মান, ওয়ার্ডসমূহের পরিবেশ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শনকালে উপ-সচিব মো. আবদুল খালেক এবং তার সাথে উপস্থিত ছিলেন মোঃ আব্দুল ওয়াহাব, সহকারী সচিব আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও সঠিক ইউনিট, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। আরো উপস্থিত ছিলেন ভোলার সিভিল সার্জন ডাঃ মনিরুল ইসলাম এবং হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মো তৈয়বুর রহমানসহ হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্স এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি রোগীদের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করা, হাসপাতালের পরিবেশ উন্নত রাখা এবং স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ভোলা একটি দ্বীপ জেলা হওয়ায় এখানকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবার জন্য সরকারি হাসপাতালগুলোর ওপর নির্ভরতা অনেক বেশি। বিশেষ করে জেলার প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ওপর নির্ভর করেন। ফলে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা।
দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতোই হাসপাতাল পরিদর্শনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার বাস্তব চিত্র জানার এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তাঁদের প্রত্যাশা, নিয়মিত তদারকি ও কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে ভোলার স্বাস্থ্যব্যবস্থায় আরও গতি আসবে এবং জেলার সাধারণ মানুষ উন্নত ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পাবেন।
উপ-সচিবের এ পরিদর্শনের মাধ্যমে ভোলার স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়ে মাঠপর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই তদারকি কার্যক্রম ভবিষ্যতে জেলার স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
