লালমোহনে জমিজমা বিরোধে ড্রেজার ও পাইপ ভাঙচুরের অভিযোগ

লালমোহন প্রতিনিধি ॥
ভোলার লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড কাদিরাবাদ এলাকায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একটি ড্রেজার মেশিন ও পাইপ ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিপক্ষের এই হামলায় প্রায় ২ থেকে ৩ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ছিদ্দিকুর রহমান ও তার পরিবার।
ভুক্তভোগী ছিদ্দিকুর রহমান জানান, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাদের পৈত্রিক জমি জোরপূর্বক দখল করে নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন সালিশ-ফয়সালার মাধ্যমে প্রতিপক্ষরা কিছু জমি ছেড়ে দিলে, সেখানে তারা বসতঘর নির্মাণ করেন। কিন্তু ঘরটির চারপাশ নিচু হওয়ায় বর্ষা ও স্বাভাবিক সময়ে পানি জমে থাকত।
এই জমি গুলো আমাদের সকল কাগজপত্র রয়েছে, তার পরেও তারা আমাদের কে নানা ভাবে হয়রানি করে। ঘরের চারপাশের জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের পরামর্শে তারা জমিটি ভরাটের সিদ্ধান্ত নেন। সেই অনুযায়ী একটি ড্রেজার মেশিন এনে পাশের বাড়ির পুকুর থেকে মাটি ভরাটের কাজ শুরু করা হয়। কিন্তু মাটি ভরাটের কাজ শুরু হতেই স্থানীয় কবির, আবুল বাশার, শহিদ, ওহিদ এবং সুলতান আহমদসহ একদল লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আকস্মিক হামলা চালায়। হামলাকারীরা ভরাট কাজে নিয়োজিত ড্রেজার মেশিন এবং এর বিপুল পরিমাণ পাইপ এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন হয়।
ভুক্তভোগী ছিদ্দিকুর রহমান আরো বলেন,”আমাদের বৈধ জমিতে পানি জমে থাকায় আমরা মাটি ভরাটের কাজ করছিলাম। কিন্তু কেন তারা হঠাৎ আমাদের ওপর এই বর্বর হামলা চালালো এবং ড্রেজার-পাইপ ভাঙচুর করলো, তা আমরা জানি না। আমরা এই অন্যায়ের সুষ্ঠু বিচার চাই।
এই বিষয়ে অভিযুক্ত কবির গংদের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে ফোন বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ অলিউল ইসলাম বলেন, জমিজমা বিরোধ নিয়ে হামলার অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত চলছে, ড্রেজার মিশনে বিষয়ে ও লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইননুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।