সর্বশেষঃ

তজুমদ্দিনের ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ পরিদর্শনে জেলা জামায়াত নেতৃবৃন্দ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় মেঘনা নদীর জোয়ারে বেড়িবাধ ভেঙে উপজেলার বহু ঘরবাড়ি পানির স্রোতে ভেসে যায় ও জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। বেড়িবাঁধ ভাঙ্গন ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেয়ার জন্য পরিদর্শন করেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী কাজী মাওলানা হারুনুর রশিদসহ জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দ। শুক্রবার সকালে তারা ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শন করেন।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, বৃহস্পতিবার প্রবল স্রোতের কারণে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে তজুমদ্দিনের বিভিন্ন এলাকা পানিতে প্লাবিত হয় এবং বহু ঘর বাড়ি পানির নিচে চলে যায়। এবং বাতাসে ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও বেরিবাঁধের উপরে বহু দোকানপাট উড়ে যায়। সাধারণ মানুষ ইট, বালি, পাথর দিয়ে বাঁধ নির্মাণ করার চেষ্টা করলেও তা রক্ষা করা যায়নি। অতঃপর জোয়ার কমে আসলে পানির স্রোত কমে আসে। যদিও এলাকাবাসী আশঙ্কা দ্রুত বাঁধ নির্মাণ করতে না পারলে আবার জোয়ারের সময় পানি প্লাবিত হয়ে অত্র এলাকা ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মূলত পুরনো বেড়িবাঁধ কেটে সুইজগেট নির্মাণের জন্য অস্থায়ী রিংবেরি করা হয়েছিল। প্রবল পানির স্রোতে রিংবেরি ভেঙে পানি প্রবাহিত হয়। এলাকাবাসীর মন্তব্য যথাসময়ে সুইজগেটটি নির্মাণ হলে এই অবস্থা তৈরি হত না। তাদের দাবি ঠিকাদারের অবহেলা ও বর্ষা মৌসুমে নদীর গতি বুঝে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নেওয়ায় বাঁধ ভেঙে পানি প্লাবিত হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে স্থানীয়, জাতীয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ সরকারকে সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানা এবং জামায়াত ইসলামী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।
জেলা জমায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী কাজী হারুনুর রশিদ বেড়িবাধ ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের বাড়ি-ঘর পরিদর্শন করে সান্তনা প্রদান করেন ও সকলকে বাঁধ নির্মাণ সহযোগিতার আহ্বান জানান। বিশেষ করে পরিদর্শন অবস্থায় তিনি জেলা প্রশাসক আজাদ জাহানকে ফোন করে বিস্তারিত অবহিত করেন। তিনি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।