ভোলায় পানি নিষ্কাশনের দাবীতে কৃষকদের মানববন্ধন, ২ কোটি টাকার ফসল নষ্ট
অভিযোগের তীর হারুন দেওয়ান ও ইসমাইল কাজির দিকে
ভোলার দক্ষিণ দিঘলদীতে সরকারি চাল দেওয়ার নামে চলছে হরিলুট

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নে চাল দেওয়ার নামে চলছে লুটপাট ও অনিয়ম। সরকারি চাল জণগণের কাছে বিতরণ না করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আর এই চাল চুরির মূল হোতা দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হারুন দেওয়ান ও সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল কাজী। তারা প্রভাব বিস্তার করে এলাকায় চাল আসলে আত্মসাৎ করে অন্যত্র বেঁচে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, শনিবার ভোরে দুটি অটোরিকশা যোগে ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়ন থেকে চাল বোঝাই করে গুদাম থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল সরকারী চাল। এলাকাবাসী খবর পেয়ে অটোরিকশা বোঝাই ওই চাল আটক করে। চাল চুরির খবর পেয়ে বিভিন্ন গনমাধ্যম কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সত্যতার প্রমাণ পায়। পরে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হারুন দেওয়ান এসে অটোরিকশা বোঝাই চাল ও চালকদের ছাড়িয়ে নেয়ার চেষ্টা চালায়। পরে এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল করে হারুন দেওয়ান ও ইসমাইল কাজিকে সরিয়ে দেয়। সরকারী চাল চুরির ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সরকারি চাল জণগনকে না দিয়ে দিনের পর দিন লুটপাট করে অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। যার ফলশ্রুতিতে ওই ইউনিয়নের গরীব-দুঃখী, অসহায় মানুষরা সরকারি চাল পাওয়া থেকে বঞ্চিত থেকে যায়। চাল চুরির খবর ছড়িয়ে পড়লে খাদ্র অধিদপ্তর এবং পুলিশ প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে ৫০ বস্তাসহ সর্বমোট ৪৫০ বস্তা চাল শান্তিরহাট এলাকার ওই ডিলার পয়েন্টে জমা রাখা হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি জানান, এই চাল চুরির ঘটনার সাথে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হারুন দেওয়ান ও সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল কাজি জড়িত। তাই তাদেরকে বিএনপির সকল পদ থেকে অপসারণ করে শাস্তির আওতায় আনার দাবী জানাচ্ছি।
অভিযুক্ত ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হারুন দেওয়ান ও সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল কাজি’র সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি বিধায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। এদিকে চাল চুরির ঘটনা ভবিষ্যতে যাতে না ঘটে সেই দিকে দৃষ্টি প্রশাসনের দৃষ্টি এবং হস্তক্ষেপ কামান করেছেন এলাকাবাসী।
