ভোলায় পানি নিষ্কাশনের দাবীতে কৃষকদের মানববন্ধন, ২ কোটি টাকার ফসল নষ্ট
বোরহানউদ্দিনে বিরোধীয় সম্পত্তিতে জোড়পূর্বক দখলের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ভোলার বোরহানউদ্দিনের পৌরসভা ৩নং ওয়ার্ডে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোড়পূর্বক জমি দখলের পায়তারা করছেন নুরে আলম গং ও হানিফ গংদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন ইয়ানুর বেগম। যা নিয়ে বোরহানউদ্দিন সহকারী জজ আদালতে দেওয়ানী মামলাও রয়েছে। যার নং ৯৩/২০২৪ ইং।
মামলার বাদী ইয়াছিন হাওলাদার এর স্ত্রী ইয়ানুর বেগম জানান, ২০১২ সালে আনোয়ারা বেগম ওরপে মনোয়ারা বেগম থেকে ৯১১, ৯১২ নং খতিয়ানে আমার নিজ নামে খরিদ সূত্রে ৭ শতাংশ জমির মালিক থাকিয়া আমার শরীক গনের সাথে আপোষ বন্টন করে এস এ ৪১৯ দাগে ৩.৫০ শতাংশ জমির মালিক দখলদার হই। কিন্তু ২০১৭ সালে আবূুল মন্নান হাওলাদার, হানিফ হাওলাদার, মাইনউদ্দিন হাওলাদার আমাদেরকে না জানিয়ে আমাদের ভোগদখলীয় জমি মোঃ নুরে আলম, মোঃ রুহুল আমিন, মোঃ হোসেন গংরা উভয় পক্ষ নোটিশ গোপন করিয়া ২০২২ সালে স্থানীয় শালীলদের মাধ্যমে সোলে করেন এবং ডিক্রী করে ফেলেন। আমি আমার জমিন ফেরত পাওয়ার জন্য আদালতের শরনাপন্ন হই এবং আদালতে জমির সকল কাগজ পত্র দাখিল করার পর আমার কাগজ পত্র রুজু করেন। আদালত ১/০৭/২০২৪ ই তারিখে সঠিক তদন্তের স্বার্থে ২০২২ সালে ডিক্রী রায় পরবর্তী নিদের্শ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করেন এবং নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। কিন্তু সোলে মতে তারা ভাগভাটোয়ারা করে আমার ভোগদখলীয় জমি দখলের পায়তারা করছেন আইনের মাধ্যমে আমার জমি আমি ফেরত চাই।
এ বিষয়ে মন্নান হাওলাদার এর ছেলে হানিফ হাওলাদার জানান, এস এ ৯১২ নং খতিয়ানে ৩৬২, ৩৮৮, ৩৮৯, ৩৯০, ৪১৯ নং দাগে আমাদের নিজ নামে ২২ শতাং জমি রয়েছে। এ মধ্যে নুরে আলম গংরা জমি দাবী করে ২০১৭ সালে জোড় পূর্বক জমি দাবী করলে ২০১৭ আমার বাবা বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। বোরহানউদ্দিন বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালতে মামলা নং ১১/২০২৪ ইং।
পরে শালিস মিমাংসার মাধ্যমে আপোষ নিষ্পত্তি করার জন্য ২০২২ সালে সোলে করে আমাকে ১০ শতাংশ জমি ডিক্রী করে দেওয়া হয়। আমি সোলে নামার মাধ্যমে আমাদের জমি দখল করেছি।
এ ব্যপারে নুরে আলম গংরা জানান, আমি ক্রয় সূত্রে ২২ শতাংশ জমির মালিক। আমার উপর জোড় ও ক্ষমতা প্রয়োগ করে জোড়পূর্বক সোলে নামা করেন। আমি আমার জমিনে ঘর নির্মাণ করে আছি। বোরহানউদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সিদ্দিকুর রহমান জানান, এই জমি নিয়ে আদালতে একাধিক মামলা মোকদ্দমা চলমান রয়েছে। একই জমির মালিকানা দাবী করছেন ৩জন। কেউ কারো কথা শুনছেনা। সেজন্য এ বিষয়ে কোন সুষ্ঠু সমাধান হচ্ছে না। মাঝে মধ্যে অভিযোগ পেলে পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে পরিদর্শন করে আসেন।
