ভোলার উত্তর দিঘলদীর শান্তির চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেন মনসুর

নিরীহ মানুষের দাবী শান্তির চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেন মনসুর। দলবল নির্বিশেষে আলেম-ওলামা যারা আছে সকলের দাবী ভোলা থানাধীন উত্তর দিঘলদীতে যতদিন যাবৎ মনসুর চেয়ারম্যান ক্ষমতায় ছিলো, ততদিন আমরা মায়ের কোলে ঘুমন্ত শিশুদের মত দিন যাবন করছি। তার পিতা মরহুম সুলতান আহম্মদ মিয়া ১/১/১৯৪৪ সাল থেকে ২৮/০২/১৯৬৬ সাল পর্যন্ত টানা ২২ বছর এবং পরবর্তীকালে ৩/৩/১৯৭৫ সাল থেকে ২৮/৩/১৯৮৩ সাল পর্যন্ত শুনামের সহিত চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি শুধু চেয়ারম্যান নন, হাজারো অসাহায় পরিবারের অভিভাবক ছিলেন। তার চেয়ারম্যান আমলে সহজে কাউকে মামলায় ঝড়াতে দেননি। তিনি নিজে দায়িত্ব নিয়ে এলাকাবাসীর মামলা নিষ্পত্তি করতেন। সে আদর্শগত বাবার পারিবারিক সু-শিক্ষায় মানুষের পাশে থাকতে আলহাজ্ব লিয়াকত হোসেন মনসুর ও তার ব্যতিক্রম নন । তিনি বিচার কার্য নিজেই করেন। জনসাধারন তার সততা, ন্যায়পরায়নতা, ধর্মপরায়ন, দানবীর ও আদর্শ হিসেবে মানুষের মন জয় করেছে।
পুর্বে থেকেই তার পরিবারের ঐতিহ্য শুনামে পরিপূর্ণ। তার বড় একভাই মোঃ ফরিদ মিয়া বিচারপতি ছিলেন। আর মোঃ বাচ্ছু মিয়া মহামান্য হাইকোর্টের উকিল। তারা সকলেই সাধারন মানুষের বিপদে সহযোগীমনা ব্যাক্তিত্ব ইউনিয়নের যে কোন লোক মারা গেলে তিনি প্রায় জানাজায় অংশগ্রহণ করেন। যা ইউনিয়নের মানুষ অন্য কোন চেয়ারম্যানের মাঝে খুজে পায়নি। যে কোন স্কুল মাদ্রাসা মসজিদ ও মাহফিলে তার উপস্থিতি ও আর্থিক সহযোগিতা সময়ের প্রসংশার দাবীদার। ইউনিয়নের অন্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আসলে নিয়ে আসে অ¯্র ও ক্যাডার বাহিনী। যারা নির্বাচনকে ঘিরে সাধারন মানুষের ঘর-বাড়ী ভাঙচুর করার ফলে সারা ইউনিয়নে আতঙ্ক বিরাজ করে। আর আলহাজ্ব লিয়াকত হোসেন মনসুর দলের ক্ষমতা না দেখিয়ে মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে আজ তিনি সর্বদলীয় লোকের মনজয় করে গরীব-দুঃখী মানুষের শান্তির চেয়ারম্যান নামে খ্যাতি অর্জন করেছেন।
তার প্রত্যাশা বাবা মরহুম সুলতান আহম্মদ যেমন সাধারন মানুষের হৃদয়ে মিশে ছিলেন। জনসাধারণ যদি পুনরায় নির্বাচিত করে তাহলে চেয়ারম্যান হিসেবে নয়; একজন সেবক হিসেবে ইউনিয়নের সকলের পাশে থাকবো। সাবেক সফল বাণিজ্যমন্ত্রী আলহাজ্ব তোফায়েল আহম্মদ ও ভোলাবাসীর কর্কীবান্ধব নেতা মইনুল হোসেন বিপ্লব ভাইয়ের কাছে উত্তর দিঘলদীবাসীর প্রাণেল দাবী আলহাজ্ব লিয়াকত হোসেন মনসুরকে পুনরায় উত্তর দিঘলদীর চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।
আর তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মিথ্যেবাদী। যিনি গত নির্বাচনে বলে ছিলেছিলেন সাবেক বাণিজ্য মন্ত্রী তাকে সমর্থন দিয়েছে, তিনি অ¯্র কাধে ঝুলিয়ে সারা ইউনিয়নের মধ্যে অরজকতা সৃষ্টকারী। এমন প্রার্থীকে এলাকার সাধারন মানুষ প্রত্যাখান করেছে। এখন সবাই শান্তিতে থাকতে চায়। আর শান্তিতে থাকতে উত্তর দিঘলদীতে আলহাজ্ব লিয়াকত হোসেন মনসুর এর বিকল্প কোন প্রার্থী নাই।
