সর্বশেষঃ

মহান মুক্তিযুদ্ধ ॥ স্মৃতিময়-৭১, পর্ব-২

মাহাবুবুল আলম নিরব মোল্লা

পর্ব-২

(গত সংখ্যার পর) : হাটতে হাঁটতে দুপুর, সামনে কপোতাক্ষ্য নদ, স্বচ্ছ টলটলে পানি প্রায় সকলেই নদীতে গোসল করা এবং নদী সাতরে পাঢ় হওয়ার কাজ একত্রে করলো। ওপার পৌঁছলাম শীতল জলের ভেজা পরশ ক্লান্তি আর ক্ষুদায় শরীর অবসন্য। সবাই গাছ হাছালীর ফাঁকে বিশাল বিস্তৃত প্রান্তরে বসে ঝিমুচ্ছে, স্থানীয় লোকরা অস্থায়ীভাবে পাক করে খাবার বিক্রি করছে। যাদেরকাছে টাকা পয়সা ছিল তারা অথবা যারা খাবার নীয়ে এসেছিল তারা বসে খাচ্ছে। এখানে কাজেই কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাঢ়ী সাগর দারী কিন্তু তার ম্মৃতিবিজরীত স্থান দেখার সময় অথবা মন কোনটাই তখন কারো ছিলনা।
এককোনে জড়সডো হয়ে বসে খাবার খাওয়া একদল তরুন যুবকদের দেখছিলাম করুন চোখে। একজন লম্বাদেহী লোক এগিয়ে এলেন, আমাকে আর বাহালুলকে জিঙ্গেস করলেন তোমরা কোথাথেকে এসেছ ? তোমাদের সাথে বড়রা কেহনাই বাড়ী কোথায় কি বলবো ভাবছি আবারও তিনি প্রশ্ন করলেন, একটু ইতস্তত করে বললাম বরিশাল। ফের জীঙ্গেস করলেন বরিশাল কোথায়, আমাদের বাডী পাতারহাট মেহেন্দিগজ্ঞ। পাতারহাটে আমাদের ফুফাবাডী ভরষা পেলাম বল্লাম ভোলা তিনি পূনরায় প্রশ্ন করলেন ভোলা কোথায় বল্লেন তিনি ভোলা কলেজে বিএস সি পড়ছেন নাম মোশারফ। আমাদের ভয় কেটে গেল নির্ভর করা যায় বল্লাম মোল্লা বাড়ী।
তখন ভোলা মহকুমা ছাত্রলীগের সেক্রেটারি চাচাতো ভাই ফজলুল কাদের মজনু মোল্লাহ এবং কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগ নেতা ডাকা বশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ভাই ওবায়দুল হক বাবুল মোল্লাহ। তিনি মোশারফ বল্লেন বলকি তোমরা ঐ বাড়ীর ছেলে, এই বয়সে একদুর এসেছ একা একা ?
ভোলায় আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন বাবুল ভাই ও বাহালুলের বাবা বড় কাকা সোলাইমান মোল্লাহ উনি ভোলা পৌরসভার চেয়ারম্যানও ছিলেন এছাড়া ছোট কাকা চৌধুরী মোল্লাহ তখনও বাপ্তা ইউনীয়নের চেয়ারম্যান। বল্লাম আমাদের বাড়ীঘর লুটপাট করে ভেঙ্গেচুডে একাকার করে দিয়েছে। সবাই পালিয়ে কে কোথায় জানিনা মা, কাকিরা গ্রামে যার যার বাপের বাড়ী। আমরা যুদ্ধকরব ভারতে যেয়ে ট্রেনিংয়ে যোগদিতে যাচ্ছি।
মোশারফ ভাই দুপুরে তাদের সাথে আমাদের খাওয়ালেন। তৃপ্তিনীয়ে খেলাম আমাদের সাথীরা অভূক্তই থেকেছেন কিন্তু কি করার আমরাইতো অন্যের দয়ায় খেলাম। এরপর আবার শুরুহলো হাঁটা বিরামহীন যেন শেষ নেই, জুন মাসের বন্যায় কাচারাস্তা পানিতে তলীয়ে গেছে কোথাও হাটুপানি কোথাও কোমর কোথাও আমাদের গলাসমান পানি। এমনিতেই আমরা ছোট, তারপর দীর্ঘ হাটার পরিশ্রম হাজারো মানুষের পায়ের চাপে রাস্তা খানাখন্দে ভরা। কোথাও সুচালোহয়ে বর্ষার ফলারমতো ধারালোহয়ে গেছে কি অবর্ননীয় কষ্টকর সে যাত্রা তবু কারো হাঁটার বিরামনেই। তবে বন্যার কারনে এদিকে আর্মি আর রাজাকারের উৎপাত কম। একসময় রাত নেমেআসে আমাবর্ষার ঘুটঘুটে অন্ধকার, কেউ কারো মুখ দেখছেনা শুধু গলার আওয়াজ পরস্পরের সাহস জোগাচ্ছে পথ জানানেই তবু হেটে চলা ভেজা শরীরে শীতের কাপুনী তবু চলতেহবে আর কতদূর কে জানে ? অবশেষে রাত ১০ টারদিকে ভারতের মাটিতে পা রাখি। মনেহলো পরিত্রান পেলাম ভিনদেশ তবু মনেহলো শান্তির পরশ খেলে গেল মনে। প্রশান্তির রেষ কাটতে না কাটতেই মনেহলো বাহালুলকে তো দেখছিনা ?
উৎকন্ঠায় এদিক সেদিক মানুষের মাঝে খুঁজতে লাগলাম, পেলামনা। শেষে সিদ্ধান্ত নিলাম পিছনে ফিরে খুঁজব অর্থাৎ যেদিকথেকে এসেছি সেই পথে যাব। বাহালুল বাহালুল ডাকতে ডাকতে পাগলেরমতো পিছু ফিরছি অন্ধকারে এক সময় ভাবলাম এই অন্ধকারে এই পানিতে ডোবা রাস্তায় ওকে আমি কি করে খুঁজেপাব ?
এদিকে বাহালুলেরও একই অবস্থা সেও আমাকে খুঁজছে এক সময় হতাশহয়ে বিষন্যমনে আবার ফিরে এলাম পূর্বের যায়গায় সাথীদের কাছে, এসে দেখি বাহলুলও সেখানে, ধরে প্রান ফিরে পেলাম। বাগদা বর্ডার জায়গাটা খুব বড় নয়, চারিদিকে মানুষ আর মানুষ নারী শিশু বৃদ্ধ যুবক সবাই যে যারমতো রাত কাটাবার জায়গা খুঁজে নিয়েছে। অনেক আগুন জেলে শরীর চাঙ্গা করছে। আমরা রাস্তারপাশে একটা চাতালে কোন ক্রমে শরীর এলিয়ে আছি এই সময় দেখি সেই মোশারেফ ভাই আমাদের জন্য আবারও কিছু খাবার নিয়ে এসেছেন, কৃতজ্ঞতায় ধন্যবাদও দিতে ভূলে গেছি। পরদিন সকালে মুক্তিযাদ্ধা রিক্রটিং ক্যাম্প এ যাই। সেখানে তখন দায়িত্ব পালন করছিলেন তখনকার ছাত্রলীগ নেতা পরবর্তীকালে এরশাদ সরকারের মন্ত্রী ও বঙ্গঁবন্ধুর ভাগ্নে শেখ শহিদুল ইসলাম সাহেব। ওনাকে দূরথেকে দেখে আমরা খুব আনন্দিত হই কারন উনি ১৯৭০ এর ডিসেম্বরে ভোলায় বাবুল ভাইর সাথে আমাদের বাসায় বেশ কদিন ছিলেন। আমরা ওনাদের সাথে কত গল্প করেছি, বাবুলভাই ভোলায় এলে আমরা সারাক্ষ্যন ওনার কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করতাম। উনিছিলেন একজন প্রানউচ্ছল আনন্দপ্রিয় মানুষ।
শেখ শহিদভাই আমাদের নাম ধাম লিখছেন, বাহালুল ওর বাবার নাম সোলায়মান মোল্লাহ বলতেই একবার চোখতুলে তাকালেন তারপর আবার লিখতে শুরু করলেন, এরপর আমি। এখান থেকে আমাদের কেম্পএর নাম ঠিকানা ও কিছু চীরাগুর দেওয়া হয়েছিল তা খেয়ে পেটভরে পানিখেয়ে আবার চলাশুরু। এদিকেও রাস্তা পানিতে ডুবেগেছে হাটুপানিতেই আমরা হাটছি সুবিধাহলো এইযে আমাদের কোন লাগেজ নাই একসময় দুপুর হয়ে গেছে ক্ষুধা আর ক্লান্তি ভরকরেছে দেহে। একটা আশ্রয় খুঁজে বসে কিছু সময় জিরিয়ে সঙ্গের সকালের কিছু চিরাগুর খেয়ে আবার পথচলা-অবশেষে গন্তব্য খুঁজে পেলাম সূর্য যখন হেলেপরেছে পশ্চিমে বিকাল বেলায়।
এটা টাকিকেম্প, এখানেও নাম লিখাতেহবে, তারপর পাওয়াযাবে থাকারজন্য তাঁবু এবং খাবার। যাক অবশেষে সব নীয়ম শেষ করে সামান্য পরিমান ডালচালের ঝোল খিচুরি খেয়ে তাবুর ঠিকানায় পৌছে সবাই হাত পা ছড়িয়ে শুয়ে পড়লাম। দীর্ঘ যাত্রার ক্লান্তি অবষন্নতা পথেরভয় সব ছারিয়ে চোখ ভরে নেমে আসে ঘুম। সন্ধা কাটতেই রাত আটটায় খাবারের জন্য লাইনে দাঁড়াতে ডাকাডাকি শুরু হয়। এখানে সবকিছু রুটিন করা এর ব্যাতয় করলেই শাস্তি নেমে আসে।
রাতে আটার রুটি আর আলু তরকারীর ঝোল অমৃতের মতো মনেহলো। নাড়ার উপর হোগলার চাটাই বালিশ বিহীন শুয়েপরি সবাই। এতক্ষনে মানষপটে ভেসেউঠে মা, বাবা, ভাই বোন ও বন্ধুদের মুখ। বলে দেওয়া হয়েছে সকাল চারটায় মাঠে সকলে সমবেত হতে হবে। অতএব দেশের সকলের কথা মনে পডলেও ক্লান্ত শরীর ও মনে ঘুম নীয়ে এলো দ্রুতই। সকাল চারটার আগেই উঠে প্রাকৃতিক ক্রীয়াকর্ম শেষে সকলের সাথে মাঠে উপস্থিত হলাম। প্রথমে পিটি ও কিছু শারীরিক কসরত শেষে, শুরুহলো ডাবল মার্চ করে দৌড়ান। প্রায় ৫-৬ কিলোমিটার দৌড়ানোর পর কিছু সময় দেওয়া হলো নদীর পাড়ে ঘাঁসের আড়ালে সবাই যেন তাদের প্রাত্যহীক কর্ম করেনেয়, কারন মুল কাম্পে স্বল্প পরিসরে এর ব্যবস্থা থাকলেও ১৫০০ লোকের জন্য এটা যথেষ্ট নয়। আমাদের এই কেম্পে ১৫০০ শত লোক ট্রেনিং নিচ্ছে বলে জানতে পারি। প্রথমে লজ্জা লাগলেও পরে দেখি আমাদের আগে যারা এসেছেন তারা অবলিলায় বসে পড়েছেন এবং উপায়হীন বলে সবাই পরিস্থিতিটা মেনে নিয়েছেন। এরপর আবার দৌড়ে ফেরত কেম্পের মাঠ। এরপর নাস্তার বিরতি, নাস্তা দুটো রুটি ডাল তারপর একমগ চা। নাস্তার পর্ব শেষে পূনরায় মাঠে বিভিন্ন কসরত আলাদা আলাদা দলকরে। নূতন এবং পুরাতনের ক্রম অনুযায়ী, সকাল ১১ টায় ট্রেনিং আপাতত শেষ। সবাই কখন পূনরায় একত্রে মাঠে বক্তৃতা গান কবিতা এরপর আবার চা, তারপর দুপুরের বিরতি খাওয়ার পর আবার ৩ টা থেকে সন্ধা পর্যন্ত ট্রেনিং চলবে। এলাকাটির যতটুকু আমরা দেখেছি সকালে রাস্তাদিয়ে দৌড়ে যাওয়ার এবং আসার সময় মনেহলো স্থানীয় মানুষ এখানে খুবই কম। নির্জন এলাকাই মনেহয় বেছে নেওয়া হয়েছে যাক বিকালের ট্রেনিং পর্ব শেষে আমরা কয়েকজন মিলে কেম্পের সামনে গড়ে উঠা অস্থায়ী দোকান পাট যেখানে বসেছে সেখানে গেলাম এখানে আমাদের বড়ভাই বাবুল ও মজনু মোল্লাহর বন্ধু ভোলা কলেজের ছাত্র এবং ছাত্রলীগ কর্মি স্বরূপকাঠির নিজামের বড় ভাই হেমায়েত ভাইর সাথে দেখা উনি একমাসহয় এসেছেন তিনি আমাদের চা ও কেক খাওয়ান। অনেকদিন পর বিকালে নাস্তা খেয়ে ভাল লাগল আবার দেশের কথাও মনেপড়ে গেল।
হেমায়েত ভাই বল্লেন আমাদের ক্যাম্পটা এখান থেকে দুই তিন কিলোমিটার দুরে। এই ক্যাম্পে ফরিদপুর অন্চলের লোকবেশী আমাদেরটায় সবাই বরিশাল অঞ্চলের, তোমরা চাইলে আমি ওখানে আলাপ করে পারলে কাল এসে এইসময় তোমাদের এখানথেকে নীয়েযাব। তোমরা বিকালের ট্রেনিং শেষে এখানে থেক। পরদিন কথামতো যথসময়ে আমরা জায়গামতো হাজির। হেমায়েত ভাইর সাথে আরেকজনও এসেছেন, বরিশাল শহরেই বাসা নাম বাদশা ভাই ওনাদের সাথে আমরা ঐ কেম্পে চলেযাই। প্রতিদিনই নূতন লোক আসতেছে মুক্তিযাদ্ধাহতে। এ এমন এক আবেগ উন্মাদনা যে বর্ননা করা যায়না।
যথারীতি এই ক্যাম্পে নাম ধাম লিখায়ে নূতনকরে ভর্তি হলাম এবং তাঁবুর ঠিকানায় আশ্রয় নিলাম, এখানে পেলাম আমাদের বেয়াই ফারুকের বন্ধু বরিশাল কাউনিয়া ২য় পুকুরের পাড়ে বাসা চানকে। রাতের খাবার খেতেগীয়ে পেলাম ভোলার খোরশেদ ভাইকে যিনি এসেছেন উলানিয়া (পাতারহাট) এর গ্রুপের সাথে ওনি এসেছেন ১৫ দিন আগে, যাক কিছু পরিচিত মুখপেয়ে মনটা হাল্কা হলো। পরদিন সকাল-৪টায় উঠে যথারীতি ট্রেনিং কার্যক্রম শুরু একই নীয়মে আজও। দু-তিনদিন পর হেমায়েত ভাই এবং বাদশা ভাই চলে গেলেন মুজিব বাহীনির ট্রেনিংয়ে দেরাদুন নামক একটা জায়গায়।
আমরাও ১০ দিনপর চলেগেলাম পিপা নামক একটা ক্যাম্পে। এখানে আমাদের আসল ট্রেনিং হবে, এখানকার কেম্পের পরিচালক ইন্ডিয়ান আর্মির ক্যাপ্টেন তারনাম শিফা বলে জেনেছি। এই ক্যাম্পটা আমবাগানের মধ্যে, বিশাল বিশাল আমগাছের ছায়ায় ফাঁকে ফাঁকে আমাদের তাঁবু উপর থেকে দেখাযায় না। আসলে আমাদের বয়ষ কমবলে এবং উদ্দেশ্য হলো ট্রেনিং শেষকরে যুদ্ধে যাওয়া তাই সারাদিনের পরিশ্রম এবং সীমিত ঘুম আমাদের ভাবনায় অন্যকিছুর অবকাশ থাকেনা, তারপরও মাঝে মাঝেই মনে উকিদেয় দেশ মা/বাবা/ভাই/বোন-বন্ধু স্বজন। জানিনা তারা কে কোথায় এবং কেমন আছেন। আমরা যে ভারত এসেছি, বেঁচে আছি না মরেগেছি কোথায় আছি এটা কারো কল্পনা করাও সম্ভবনা। একমাত্র সুত্র তারা এটুকু জানবেন আমরা যখনথেকে নিরুদ্দেশ ঐদিন আমার মার খালাত ভাই মিলন মামা আমাদের বরিশালের লঞ্চে দেখেছিলেন। প্রতিদিন সন্ধায় মাঠে গান বাজনা বক্তৃতা হতো। এক একদিন একেক দলের রান্নার দায়িত্ব নিতে হতো। যেদিন আমাদের দায়িত্বছিল সেদিন আমাদের এক সাথী দুটো রুটি লুকিয়ে রাখলো কিন্তু সে রক্ষা পেলোনা ধরা পরে গেল। ঐ রাতে তার কম্বল প্যারেড রাইফেল উচিয়ে ডবল মার্চকরা এক ঘন্টার এবং পরদিন ট্রেনিং শেষে আবারও শাস্তি ক্রোলিং করতে হবে নির্দিষ্ট সময়। আহা দুটি রুটির জন্য এই কষ্ট ভাবাও যায়না। আমি খুবই কষ্ট পাচ্ছিলাম মনে কিন্তু কিছুই করার নেই। পরদিন আমাদের কমান্ডার আমাদের একটা হাতিয়ার দেখালেন তারনাম ষ্টেনগান হাত খানেক লম্বা গায়ে ফুটা ফুটা আর একটা দেখালেন তারনাম বেটাগান সেটাও ছোটই দেখতে ম্যেগজিনটা একটু বড়। এরআগে রাইফেল এবং এস এল আর চিনেছি। অর্শগুলো ধরে দেখলাম এক রোমান্স খেলেগেল শরীরে, মনেহলো এইগুলো দিয়ে শত্রুর সাথে লড়ছি। এদিকে নিজামের বড় ভাই হেমায়েত ভাইর সাথে দেরাদুনে আমাদের বড়ভাই বাবুল ভাইর ও তোফায়েল ভাইর দেখা, বাবুল ভাইর তখন দেরাদুনে ট্রেনিং শেষ পর্যায়ে, তিনি আমাদের কথা তাদেরকে জানান। আমরা তখন ১৩-১৪ বছরের কিশোর ! ওনরা সুদুর ভোলা থেকে আমরা দুইভাই বাহালুল ও আমি অজানা অচেনা পথ পাড়ি দিয়ে এদেশে এসেছি শুনে অবাকহন।

(চলবে——–)

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।