ভোলার চরসামাইয়ায় স্কুলের জায়গা পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

ভোলায় স্কুলের জমি পরিদর্শন করাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের একাধিক লোক আহত হয়েছেন। সকলেই ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
ঘটনা সূত্রে জানা গেছে, ভোলার চরসামাইয়ায় স্কুলের জায়গা পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১১ টার সময় চরসামাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যায়ের জায়গা দখল করে ঘর উত্তোলন এমন তথ্যের ভিত্তিত্বে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শেষ করে রওয়ানা হলে তার কিছুক্ষনের মধ্যে স্কুল শিক্ষক এমরান গ্রুপ আর চরসামাইয়া মোস্তফা গ্রুপ গংদের সাথে কথা কাটি কাটি হয়। কথা কাটা কাটির এক পর্যায় চরসামাইয়া ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি মোস্তফা স্কুল মাস্টার এমরানের স্ত্রী তিন মাসের অন্ত;সত্ব শানজিদা বেগমকে তল পেটে লাথি মারে। লাথি মারার কিছুক্ষনের মধ্যে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে।
এতে মোস্তফার ছেলে আরিফ, ছাদেক মাস্টার হাতুরি দিয়ে আকবর হোসেন রাসেল এর স্ত্রী হাসনাহেনা, এমরানের স্ত্রী সানজিদা, এমরান, শাহজাত হোসেন, ফোরকান, রেদওয়ান, ফোরকানের স্ত্রী সুরমাকে বেধরভাবে মারধর করে আহত করে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। আহতদের স্বজনেরা জানান, এ ঘটনায় ভোলা সদর থানায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে। স্থানীয়রা জানান, এটা একটা তুচ্ছ ঘটনা। এই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজকে এই দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। উভয় পক্ষই আতœীয়-স্বজন।
অভিযুক্ত আরিফের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমাদের মারধর করেছে আমরাও হাসপাতালে ভর্তি আছি। এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মাতাব্বর মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি জানান, এখানে শিক্ষা অফিসারের কাজ। তার কাজ করতে তিনি স্কুলে গেছেন। তার কাজের তদন্ত করতে এখানে তৃতীয় পক্ষের কোন কাজ না। তিনি বলেন, এটা একটা অনাকাক্ষিত ঘটনা। তারা সব নিজেরা-নিজেরাই। আমি একটু দুরে আছি, ঘটনাস্থলে গিয়ে জেনে আপনাকে জানাবো।
জেলা শিক্ষা গবেষণা কর্মকর্তা নুরে আলম সিদ্দিকী বলেন, আমাদের উপস্থিতে কোন মারা মারি হয়নী। তবে আমরা পরে শুনেছি দুই পক্ষের লোকজনই নাকি হাসপাতে ভর্তি আছে।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মাধব চন্দ্র দাস মুঠো ফোনে জানান, আমরা স্কুলের জমি জমা এবং নতুন ভবন তৈরি হয়েছে, সেটা দেখতে গেছি। আমারা থাকাকালিন কোন মারা মারি হয়নি। তবে আমরা আসার পরে হয়েছে তা শুনেছি।
