সর্বশেষঃ

লালমোহনে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ

লালমোহন প্রতিনিধি ॥ ভোলার লালমোহনে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার ১২ এপ্রিল সন্ধ্যায় উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে হাসন আলী খাঁন বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায় ৩নং ওয়ার্ডের দিনমজুর আরশাদ উল্ল্যাহ হাওলাদারের তার একমাত্র কন্যা আকলিমা (২১)কে ৩ বছর আগে পাশ্ববর্তী এলাকায় ৭নং ওয়ার্ডের হাসান আলী খাঁন বাড়ির সেলিম খাঁনের ছেলে মুরাদ সাথে সামাজিক ভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় কন্যার সুখের কথা চিন্তা করে মুরাদের পরিবারের দাবি অনুযায়ী নগদ ২ লক্ষ টাকা ও ৩ ভরি স্বর্নালংকারসহ বিভিন্ন মালামাল দেওয়া হয়। বিবাহের এক বছর মোটামুটি ভালোই চলছে তাদের সংসার। তাদের ঘরে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। দেড় বছরের মাথায় চলে আসে তাদের সংসারে অশান্তি। পাষন্ড স্বামী কথায় কথায় শারীরিক নির্যাতন চালাতে থাকে এবং বাপের বাড়ী থেকে ১ লক্ষ টাকা নিয়ে আসার দাবি জানায়। ওই দাবী অনুযায়ী দিনমজুর বাবা অনেক কষ্টে টাকা দেন।
তারপর থেকে কিছুদিন ভালো চল্লেও আবারো বাবার বাড়ী থেকে টাকা আনার জন্য নির্যাতন চালায় পাষন্ড স্বামী ও তার পরিবার। টাকা আনার অপারগতা প্রকাশ করায় চলে অমানবিক নির্যাতন। এক পর্যায়ে ঘটনার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে আকলিমাকে এলোপাতারি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। আকলিমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম ও মাথা প্রচন্ড আঘাত করে। আকলিমার পরিবার খবর পেয়ে আকলিমাকে লালমোহন হাসপাতালে ভর্তি করান। এসময় আকলিমার দেড় বছরের কন্যা সন্তানকে রেখে দেয় শ্বশুর বাড়ীর লোকজন। এ ঘটনায় আকলিমা পরিবার ন্যায় বিচার দাবি জানায়। এদিকে অভিযুক্ত মুরাদের মুঠোফোনে ফোন করে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কয়েকটি থাপ্পড় দিয়েছি।
লালমোহনে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ
লালমোহন প্রতিনিধি ॥ ভোলার লালমোহনে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার ১২ এপ্রিল সন্ধ্যায় উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে হাসন আলী খাঁন বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায় ৩নং ওয়ার্ডের দিনমজুর আরশাদ উল্ল্যাহ হাওলাদারের তার একমাত্র কন্যা আকলিমা (২১)কে ৩ বছর আগে পাশ্ববর্তী এলাকায় ৭নং ওয়ার্ডের হাসান আলী খাঁন বাড়ির সেলিম খাঁনের ছেলে মুরাদ সাথে সামাজিক ভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় কন্যার সুখের কথা চিন্তা করে মুরাদের পরিবারের দাবি অনুযায়ী নগদ ২ লক্ষ টাকা ও ৩ ভরি স্বর্নালংকারসহ বিভিন্ন মালামাল দেওয়া হয়। বিবাহের এক বছর মোটামুটি ভালোই চলছে তাদের সংসার। তাদের ঘরে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। দেড় বছরের মাথায় চলে আসে তাদের সংসারে অশান্তি। পাষন্ড স্বামী কথায় কথায় শারীরিক নির্যাতন চালাতে থাকে এবং বাপের বাড়ী থেকে ১ লক্ষ টাকা নিয়ে আসার দাবি জানায়। ওই দাবী অনুযায়ী দিনমজুর বাবা অনেক কষ্টে টাকা দেন।
তারপর থেকে কিছুদিন ভালো চল্লেও আবারো বাবার বাড়ী থেকে টাকা আনার জন্য নির্যাতন চালায় পাষন্ড স্বামী ও তার পরিবার। টাকা আনার অপারগতা প্রকাশ করায় চলে অমানবিক নির্যাতন। এক পর্যায়ে ঘটনার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে আকলিমাকে এলোপাতারি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। আকলিমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম ও মাথা প্রচন্ড আঘাত করে। আকলিমার পরিবার খবর পেয়ে আকলিমাকে লালমোহন হাসপাতালে ভর্তি করান। এসময় আকলিমার দেড় বছরের কন্যা সন্তানকে রেখে দেয় শ্বশুর বাড়ীর লোকজন। এ ঘটনায় আকলিমা পরিবার ন্যায় বিচার দাবি জানায়। এদিকে অভিযুক্ত মুরাদের মুঠোফোনে ফোন করে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কয়েকটি থাপ্পড় দিয়েছি।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।