ভোটের সময় অনেকেই আসবে, যোগ্য প্রার্থী বেছে নিন” — ভোটারদের উদ্দেশ্যে শামসুদ্দিন মাতাব্বর
ভোলায় লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা পুলিশের তৎপরতা
বিনা প্রয়োজনে সড়কে বের হলেই ফেরত পাঠানো হচ্ছে বাড়িতে

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকেই সারাদেশের ন্যায় ভোলায় চলছে কঠোর লকডাউন। সংক্রমণ রুখতে সবাইকে ঘরে থাকার নির্দেশনা থাকলেও তবু বের হচ্ছেন লোকজন। তবে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সড়কে কঠোরভাবে লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করছেন।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) সকাল থেকে ভোলা শহরের প্রতিটি মোড় ও সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো হয়েছে পুলিশের চেকপোস্ট। এসব চেকপোস্টে থানা পুলিশের সঙ্গে ট্রাফিক বিভাগের সদস্যরাও একত্রে দায়িত্ব পালন করছেন। এসময় চেকপোস্টে আটকে থাকা যানবাহনগুলোর কাগজপত্র তল্লাশি করছে ট্রাফিক পুলিশ। একই সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হওয়ার কারণ ও কোথায় যাবেন, কী কারণে? এসব জিজ্ঞাসা করছেন থানা পুলিশের সদস্যরা।
এদিকে সড়কে বের হওয়া ব্যক্তিরা যার যার প্রয়োজন দেখিয়ে গন্তব্যে যাওয়ার জোর দাবি করছেন। তবে একদমই জরুরি প্রয়োজন ছাড়া এবং উপযুক্ত কারণ দেখানো গেলেই কেবল তাদের যেতে দেওয়া হচ্ছে। অন্যথায় তাদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাড়ির দিকে।

ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মোঃ আবুল কালাম আজাদ ভোলার বাণীকে জানান, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ভোলা জেলা পুলিশ মাঠে তৎপর রয়েছে। সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন জায়গায় কিছু যানবাহন ও মানুষদের ভিড় হয়েছে। সবাই কোনো না কোনো বাহানা নিয়ে হাজির হচ্ছেন। তবে আমরা মুভমেন্ট পাস ছাড়া কাউকে যেতে দিচ্ছি না। ক্ষেত্র বিশেষে কেউ যৌক্তিক কোনো কারণ দেখালে সে বিষয়ে খোঁজ-খবর নিয়ে সত্যতা পেলে তাকে যেতে দেওয়া হচ্ছে। লকডাউনে ঘর থেকে বের হওয়াই মানা। তবুও যারা যানবাহন নিয়ে আসছেন তাদের কাগজপত্র ঠিক রয়েছে কিনা সেগুলো তল্লাশি করা হচ্ছে। যারা গাড়ির কাগজপত্র দেখাতে অপারগ হচ্ছেন এবং হ্যালমেড ব্যবহার না করে বাইক ড্রাইভ করছেন তাদেরকে আমরা মামলার আওতায় নিয়ে আসছি। এছাড়াও জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কাউকে সড়কে মুভমেন্ট করতে দেওয়া হচ্ছে না।
এদিকে জেলার বিভিন্ন বড় বড় শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকতে দেখা গেছে। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, ওষুধের দোকান, সীমিত আকারে বাজার খোলা থাকতে দেখা গেছে।
