সর্বশেষঃ

সামাজিক আন্দোলনের আলোচনায় বক্তারা

শহীদ সৈয়দ মাকসুদুর রহমানকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব প্রদানের দাবী

ভোলায় সামাজিক আন্দোলনের আলোচনা সভায় ভোলার কৃতি সন্তান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ সৈয়দ মাকসুদুর রহমানকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব প্রদানের দাবী জানিয়েছেন। ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ পাকিস্থানি হানাদার বাহীনি ও তাদের দালাল চক্র যে হত্যাযজ্ঞ চালায় তার বিচার দাবী করা হয়।
সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন ভোলা জেলা শাখার উদ্দ্যোগে ২৫শে মার্চ মিউনিসিপ্যাল কো-অপারেটিভ ভবনে অনুষ্ঠিত উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের জেলা সভাপতি মানবাধিকার কর্মী মোবাশ্বির উল্লাহ চৌধুরী। হত্যাযজ্ঞ ও দালালদের ইতিহাস তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের জেলা সম্পাদক গোলাম মাহমুদ, সহকারী অধ্যাপক কামরুল আহসান, প্রভাষক তানবিরুল ইসলাম রনি প্রমুখ।
সভায় বক্তাগন বলেন, জাতির দুর্ভাগ্য; স্বাধীনতার ৫০ বছরেও মুক্তিযোদ্ধা, দালাল রাজাকার আলবদরদের প্রকৃত তালিকা করা যায় নি। মুক্তিযুদ্ধের সাথে কোন ধরনের সম্পৃক্ত না থাকা সত্বেও হাজার হাজার মানুষ বীর মুক্তিযোদ্ধা সেজে ভাতা নিচ্ছেন ও সম্মানিত হচ্ছেন। অথচ প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার অনেকেই এখনো তালিকাভুক্ত হয়নি।
সভার সভাপতি মোবাশ্বির উল্লাহ চৌধুরী বলেন, এটা খুবই দুঃখ জনক যে বহু রাজাকার বা রাজাকার-আলবদরদের দোশররা এখন মুক্তিযোদ্ধা বনে গেছেন। বহু যায়গায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উপজেলা ও জেলা কমান্ডার হয়ে গেছেন অমুক্তিযোদ্ধাগণ। বহু বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাজনৈতিক কারণে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।
মোবাশ্বির উল্লাহ চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধুর ডাকে বাংলাদেশ বিমান বাহীনির অফিসার ভোলার ছেলে সৈয়দ মাকসুদুর রহমান সরকার পক্ষ ত্যাগ করে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিমান ক্রয় করার উদ্দেশ্যে ভোলাস্থ সরকারী ট্রেজারী ভেঙে টাকা সংগ্রহ করতে গিয়ে তিনিও তার কতিপয় সঙ্গী হত্যার স্বীকার হন। তিনি বলেন, সৈয়দ মাকসুদুর রহমানকে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের মতই মর্যাদা দেওয়া উচিত এবং তদন্ত করে বের করা উচিত কারা এই হত্যার সঙ্গে জড়িত।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।