সর্বশেষঃ

জীবনের ডায়েরী থেকে গল্প সমগ্র : পর্ব-৭৭

ড. তাইবুন নাহার রশীদ (কবিরত্ন), 

(গত পর্বের পর) : ভাগ্যই সেরা, (এম.রহমান, পি-এইচ.ডির ডাইরী থেকে) :

আছি তো আগেরি মতো
এখনো আমি (২)
ঋুলে কি গেছ তুমি আগেরি সে কথা,
আজও তা রয়েছে আমার স্মৃতিতে গাঁঁথা (২)
তমি ডশ আগেরি মতো এখনো হাসো,
তুমি কি তেমনি কওে আমায় ভালবাস।
কি ছিলে আমার বল না তুমি,
আছি তো আগেরি মতো
এখনো আমি (২)

ঐার কপালে যা লিভা আছে বিধির ঐ করমে, দুঃখ কাঁদলে কি আর যায় ? ঐা হওযার তা-ই হয়েছে। কারন্নায় শোক কমে, তাই বলে দার্শনিকের কথা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। দার্শনিকের ইক্তি- ভবেিত উচিৎ ছিল প্রতিজ্ঞা যখন। একক্ষণে এম. রহমান ডিগ্রি কলেজের (ডিগ্রি নন এসপিওভুক্ত) লেকচারার পওেদ যোগদান করে একই সাখে কুষ্টিয়া ইউনিভার্সিতে ইউনিভার্সিটিতে পি-এইচ.ডি. রিসার্চে (গবেষণায়) যোগদান করেন। তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছেন প্রফেসর ড. এম. মুজাম্মিল আলী। বিশ^বিদ্যালয়ের সুপরিচিত এবং অমায়িক শিক্ষক তিনি। এম. রহমানের এত অল্প বয়সে এম.ফিল অ্যাওয়ার্ড লাভ এবং পি-এইচ.ডি. ফেলোশীপে দূরদর্শিতায় মুগ্ধ হয়ে প্রফেসর সাহেব তাঁর নিকট মেয়ে বিয়ে দেওয়ার পরোক্ষ প্রস্তাব করেন।
মেয়ে ‘‘মুফা’’ খুব মেধাবী ছাত্রী। ৫ম ও ৮ম শ্রেণিতে মেধাবৃত্তি প্রাপ্ত। এস.এস.সিতে গোল্ডেন প্লাস পেয়ে ২০১০ সালে তখন ইন্টারমিডিয়েট অধ্যয়নরত। দেখতে সুন্দরী মেয়েদেও সাথে শতভাগ না মিললেও সুন্দরীদের তালিকায় প্রথম স্তরে আছে। তবে পূর্বে বর্ণিত খাটো ও লম্বার দুটি গুণের কথা বলা হয়েছে। তার একটি তার মধ্যে নেই। অল্প বয়স অন্যদিকে পড়াশুনা কেবল শুরু এ জন্য এম. রহমান তাৎক্ষণিক সময় নিয়ে কালক্ষেপেণ করতে থাকেন। এতক্ষণেও নিপার বিয়ে হয়নি। ২০১২ সালের জানুয়ারী মাস নিপার ভাগ্যের পরিবর্তন স্বরূফ চাকুরীর পরিবর্তন হয়ে নতুন চাকুরী এ.জি. অফিসের অডিটর হিসেবে যোগদান করে। বিষয়টা এম, রহমানের মা জানতে পেরে তা ইচ্ছাকে পুনরাবৃত্তি করেন। কিন্তু এম. রহমান বিষয়টা কর্ণপাত ককরেন নি। নিপা যতই ভাল হোক না কেন পরিস্থিতির কারণে সে ডিভোর্স প্রাপ্তা। তার পক্ষ হয়ে যে কেহ তাকে মেনে নিলেও সামাজিকভাবে মানুষ বাস্তবতা বলেই যাবে। সেটা ঠেকাবে কে?
অন্যদিকে এম. রহমান প্রাইভেট বিশ^বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তাছাড়া নিজে একজন পি-এইচ.ডি. হোল্ডার। ব্যক্তিত্ব বলে একটা বিষয় জতি। কিন্তু এম. রহমানকে যে কোন কারণে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। মায়ের ইকে ইচ্ছা অন্যদিকে বিশ^বিদ্যালয়ের স্যারের প্রস্তাব বিষয়ট সম্পূর্ণই আলাদা। একজন বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষকের জামাই হওয়ার ক্ষেত্রে কোন দ্বিমত থাকার প্রশ্নই আসে না। তথাপিও এম. রহমানের মায়ের ইচ্ছার কথা বার বার তাঁকে তাড়া করে। কবির স্মুতি চারণ-

সংসার অরণ্য তার
দেখিলে মায়ের মুখ
মুছে যাবে সব দুঃখ।

কবির অনুরাগের কথা স্মরণ করে নিজের দর্শন ভিত্তিক চিন্তা চেতনা একটি অনাকাংখিত সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। মিস নিপার বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়া হয়ত বা একটি দুর্ঘটনা। অন্যদিকে নতুন চাকুরীকে অবস্থার পরিবর্তন মনে করে মায়ের ইচ্ছার কথা ভেবে এম. রহমানের ইচ্ছার বিপরীতে বিশেষ ছাড় দেওয়ার শর্তে নিপার সাথে যোগাযোগের পরিকল্পনা নেওয় হয়।

কবিগুরু রবি ঠাকুরের ভাষায়–
তোমায় কিছু দেব বলে চায় যে আমার মন
নাইবা তোমার থাকলে প্রয়োজন।

আধুনিক যুগ মোবাইল নেটওয়ার্কেও মাধ্যমে বিশ^ মানুষের হাততের মুঠোয়। যে কোনভাবে নিপার মোবাইল নম্বও নিপা কর্তৃক এম. রহমানের বড় আপুর কাছে দেওয়া ছিল। সেই মোবাইল নম্বরে এম. রহমানের দেয় এসএমএস-

(চলবে——)

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।