ভোলায় চতুর্থ দিনে সস্ত্রীক জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম ছিদ্দিকসহ ৯৩৮ জনের টিকা গ্রহন

ভোলায় কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রমের চতুর্থ দিনে সস্ত্রীক জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিকসহ ৯৩৮ জন করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধ টিকা গ্রহন করেছেন।
বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারী) বেলা সাড়ে ১২ টায় জেলার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল কেন্দ্রে গিয়ে সস্ত্রীক কোভিড-১৯ টিকা গ্রহন করেন তিনি। এসময় ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমানসহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ টিকা গ্রহন করেন।
টিকা গ্রহনের পর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক বলেন, টিকা নিয়ে আমি খুবই আনন্দিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে আমাদের জন্য এই টিকার ব্যবস্থা করায় তাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এই টিকায় কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বা ক্ষতিকারক দিক নেই তাই যাদের বয়স ৪০ বছর বা তদূর্ধ্ব তাদের টিকা গ্রহনের এই সুযোগ লুফে নেয়া উচিৎ। এসময় তিনি সকলকে সরকার কর্তৃক বিনামূল্যে দেয়া কোভিড-১৯ টিকা গ্রহনের আহবান জানান।
সিভিল সার্জন ডাঃ সৈয়দ রেজাউল ইসলাম জানান, কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রমের চতুর্থ দিনে জেলা মোট টিকা গ্রহন করেছেন ৯৩৮ জন। ভোলা সদর উপজেলায় ৩১০ জনের মধ্যে ২৪৭ জন পুরুষ ও ৬৩ জন নারী, বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ১৬০ জনের মধ্যে ৯৭ জন পুরুষ ও ৬৩ জন নারী, দৌলতখান উপজেলায় ১১০ জনের মধ্যে ৭২ জন পুরুষ ও ৩৮ জন নারী, লালমোহন উপজেলায় ১৯০ জনের মধ্যে ১২০ জন পুরুষ ও ৭০ জন নারী, চরফ্যাশন ৫৮ জনের মধ্যে ৪২ জন পুরুষ ও ১৬ জন নারী, তজুমদ্দিন উপজেলায় ৮৪ জনের মধ্যে ৭৬ জন পুরুষ ও ৮ জন নারী এবং মনপুরা উপজেলায় ২৬ জনের মধ্যে ২১ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী কোভিড-১৯ টিকা গ্রহন করেছেন। জেলায় এ পর্যন্ত চার দিনে মোট ১৭৮৭ জন কোভিড-১৯ টিকা গ্রহন করেছেন।
এসময় তিনি আরও জানান, এ পর্যন্ত কোভিড-১৯ টিকা গ্রহনকারী প্রত্যেকে সুস্থ ও স্বাভাবিক রয়েছেন কারো কোনো সমস্যা হয়নি। আমার টিকা গ্রহনকারী সকলের খোঁজ খবর রাখছি। এই টিকার কার্যকরীতা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমানিত হওয়ায় এবং এর কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বা ক্ষতিকর প্রভাব না থাকায় ইতোমধ্যে মানুষের মাঝে দিনদিন টিকা গ্রহনের আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, সারাদেশের ন্যায় গত ৭ ফেব্রুয়ারী থেকে ভোলায় মোট ৭ টি কেন্দ্রে ৮ টি বুথে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
