ভোলার পশ্চিম ইলিশা মুন্সীর চরের নির্যাতিত সেই মাইনুরের পাশে দাঁড়িয়েছে ভোলার পুলিশ।
পান দিতে দেরি করায় স্ত্রী কে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছেন পাষণ্ড স্বামী, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাইনুর বেগম এর একটি ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে ভোলার পুলিশের উদ্ধোর্তন কর্মকতাদের নির্দেশে সদর থানার ওসি এনায়েত হোসেন ও পুলিশ পরির্দশক আরমান হোসেন এর নেতৃত্বে ইলিশা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ফরিদ উদ্দিন (৩রা জানুয়ারী) দুপুরে ঘটনাস্থল পশ্চিম ইলিশা বিচ্ছিন্ন এলাকা মুন্সীর চর গিয়ে তদন্ত করেন এবং অভিযুক্ত সামছুদ্দিন পলাতক থাকায় আটক করতে পারেনি।
ঘটনার পর থেকেই সামছুদ্দিন পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় মেম্বার ফরিদ মাতাব্বর। অভিযুক্ত সামছুদ্দিন এর মা বলেন,আমার ছেলে যেটা করেছে, এটা অমানবিক, আমার ছেলের শাস্তি আমিও দাবী করছি।
স্থানীয় মেম্বার ফরিদ মাতাব্বর বলেন,আমি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীন মাইনুর এর সাথে কথা বলেছি, আমরা পারিবারিক ভাবে সমাধান করার উদ্যােগ নিয়েছি তবে রোগী আগে সুস্থ্য হোক।
ইলিশা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ ফরিদ উদ্দিন বলেন,আমার উদ্ধোর্তন কর্মকর্তাদের নির্দেশে ভাইরাল হওয়া সেই মাইনুরের বাসায় গিয়েছি এবং তার পরিবারের সাথে কথা বলেছি তবে অভিযুক্ত সামছুদ্দিন পলাতক রয়েছে।
ভোলা সদর থানার পুলিশ পরির্দশক (ওসি তদন্ত) আরমান হোসেন বলেন,বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছি, খুব অমানবিক ঘটনা, আমরা তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নিবো।
উল্লেখ : গত শুক্রবার পান দিতে দেরি করায় পশ্চিম ইলিশা ৬নং ওয়ার্ডে স্ত্রীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছেন পাষণ্ড স্বামী।