ভোলায় রেইজ প্রকল্পের শিক্ষানবিশদের সঙ্গে জিজেইউএস’র মতবিনিময় সভা
বাংলাবাজার কলেজে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীকে ফুল দিয়ে নবীনবরণ

ভোলার বাংলাবাজার কলেজে প্রথম বর্ষের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে ফুল ও পাঠক্রম পরিকল্পনা তুলে দিয়েছেন বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। শেখা ও পড়াশোনার কোনো বিকল্প নেই। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শিক্ষার্থীদের উপযোগী পাঠদান পরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে।
তিনি বাংলাবাজার কলেজের নবীনবরণ আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং জেলার শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটির অগ্রযাত্রার ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ সময় শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যানের হাত থেকে ফুল ও পাঠক্রম পরিকল্পনা পেয়ে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে একদল শিক্ষার্থীর কণ্ঠে ভেসে আসে—‘এসো হে নতুন, এসো… এ মাটির দাওয়ায় বসো…’।
কলেজের অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক আব্দুস সালাম। তিনি বলেন, বর্তমানে শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজকে বিপথগামী করার নানা অপচেষ্টা চলছে। মাদকসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর বিষয় থেকে শিক্ষার্থীদের দূরে থাকার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন চরফ্যাশন সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ উল্যাহ স্বপন, আলতাজের রহমান কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ জাহান জেব আলম চৌধুরী, জ্যেষ্ঠ শিক্ষক আবুল বাশার ও এবিএম আব্দুস সাত্তার। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য দেন দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. আশরাফুল এবং প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী সাদিয়া ও ইশরাত জাহান।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কলেজের শিক্ষক ও সাংবাদিক অমিতাভ রায় অপু এবং শিক্ষক নাজমুল হাসান। পরে কলেজের শিক্ষক রেহানা ফেরদৌসের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা গান, কবিতা ও নৃত্য পরিবেশন করেন। সংগীতশিল্পী তালহা তালুকদার বাঁধনের পরিবেশনা অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। এদিকে শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান কলেজ প্রাঙ্গণে একটি কৃষ্ণচূড়া গাছের চারা রোপণ করেন। পরে তিনি কলেজের বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শন করেন এবং প্রশংসাপত্রে স্বাক্ষর করেন। নবীনবরণ উপলক্ষে পুরো কলেজ প্রাঙ্গণ মনোরম সাজে সাজানো হয়। উৎসবমুখর পরিবেশে কলেজটির নয়টি অনার্স কোর্স, স্নাতক (পাস) ও উচ্চমাধ্যমিক বিভাগের প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে ক্যাম্পাস প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
